5kg LPG cylinder
Bengal Liberty, ৬ এপ্রিল :
জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্র (5kg LPG cylinder)। সরকার জানিয়েছে, দেশে এলপিজি (LPG)-র কোনও ঘাটতি নেই, তাই আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি সিলিন্ডার কেনার প্রয়োজন নেই। সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটাতে বিশেষভাবে ৫ কেজি ছোট সিলিন্ডারের জোগান বাড়ানো হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২৩ মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬ লক্ষ ৬০ হাজার ছোট সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে শুধু ৪ এপ্রিলেই বিক্রি হয়েছে ৯০ হাজারের বেশি। এই বাড়তি বিক্রি থেকে চাহিদা বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে। পাশাপাশি, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে এবং সামুদ্রিক কার্যক্রম সুরক্ষিত রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে (5kg LPG cylinder)।

ছোট সিলিন্ডারে সরবরাহ বাড়াচ্ছে সরকার (5kg LPG cylinder)
৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারগুলি ‘ফ্রি ট্রেড এলপিজি’ (FTL) নামে পরিচিত, যা বাজারদরে বিক্রি হয় এবং কিনতে কোনও ঠিকানার প্রমাণ লাগে না। ফলে সাধারণ মানুষ সহজেই এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকে এই ছোট সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশের কোথাও এলপিজি সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। একদিনেই ৫১ লক্ষের বেশি ১৪.২ কেজির গৃহস্থালী সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে, এবং মোট চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই এখন অনলাইনে বুকিংয়ের মাধ্যমে পূরণ হচ্ছে। একই সঙ্গে মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্চ মাস থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ১৪০০-র বেশি ডিস্ট্রিবিউটরকে শোকজ নোটিস দেওয়া হয়েছে। নিয়মভঙ্গের অভিযোগে ইতিমধ্যেই ৩৬টি ডিলারশিপ সাসপেন্ড করেছে সরকার।

বাড়ানো হয়েছে উৎপাদন ও সরবরাহ (5kg LPG cylinder)
বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। জানানো হয়েছে, গৃহস্থালির ব্যবহার এবং জরুরি পরিষেবা-যেমন হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণে রিফাইনারিগুলিতে উৎপাদনও বাড়ানো হয়েছে। গৃহস্থালির চাহিদা মেটাতে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ আপাতত স্বাভাবিকের প্রায় ৭০ শতাংশে সীমিত রাখা হয়েছে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে, যাতে বাড়ি ও পরিবহণ পরিষেবায় কোনও সমস্যা না হয়। পাশাপাশি, ৬ এপ্রিল থেকে সার কারখানাগুলিতে গ্যাস সরবরাহ গড় ব্যবহারের প্রায় ৯০ শতাংশে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।

