Advocate Resign
Bengal Liberty, ৫ মে ২০২৬ :
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তনের ডাক। দীর্ঘ পনেরো বছরের তৃণমূল সরকারকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পাহাড় থেকে জঙ্গল— সর্বত্রই গেরুয়া ঝড়। ২০৭ আসন পেয়ে আগামী ৯ মে নয়া সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। (Advocate Resign)
এই সবের মধ্যেই যখন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রেস কনফারেন্স করে ইস্তফা দিতে নারাজ, ঠিক তার আগেই নয়া নজির গড়লেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। মঙ্গলবার রাজ্যপাল আর. এন. রবির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। এর আগে সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় এজি পদের দায়িত্ব সামলেছেন। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে এজি পদে নিয়োগ করা হয় কিশোর দত্তকে। তার পর থেকে একটানা এই পদেই ছিলেন কিশোর।

নিয়ম মেনে কাজ :
একদিকে মানুষের রায়কে অসম্মান করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের পদত্যাগ ঘিরে মানুষের প্রশ্ন— তিন বারের মুখ্যমন্ত্রীর এরকম আচরণ মানায়?
নির্লজ্জতার সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গেছেন তিনি। ২০১১-তে রাজ্যে পালাবদলের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইস্তফাপত্র দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নতুন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে পারতেন, তবে সেই রাস্তায় না গিয়ে ফের সস্তার রাজনীতির পথেই হাঁটলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

পরের পদক্ষেপ :
অ্যাডভোকেট জেনারেলের ইস্তফার পর সাধারণত সরকার বদলালে প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে যায়। রাজ্যের যে মামলাগুলি আদালতে বিচারাধীন, সেগুলির ক্ষেত্রে নতুন সরকারের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হতে পারে।
তা ছাড়া, নতুন সরকারের নিজস্ব নীতি থাকে।
অ্যাডভোকেট জেনারেল কে হবেন, সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার নামের সুপারিশ পাঠায় রাজভবনে। তার পর রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল তাঁকে নিয়োগ করেন। দেখার বিষয়, আগামী ৯ মে কে হচ্ছেন রাজ্যের নয়া অ্যাডভোকেট জেনারেল।
