TMC Celebrity MP
Bengal Liberty, ৮ জুন :
মমতার সঙ্গ ছাড়ল সেলিব্রেটি সাংসদরা (TMC Celebrity MP)। বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির হওয়ার পর প্রথমে পরিষদীয় দল হাত ছাড়া হয়েছে, এবার সংসদীয় দল। লোকসভার ২৮ জন তৃণমূল সাংসদের মধ্যে ২০ জনই মমতাকে ছেড়ে যোগ দিতে চাইছেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-তে। বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহী সাংসদরা সোমবার চিঠি পাঠিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদদের মধ্যে আছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় প্রায় সমস্ত সেলিব্রেটি সাংসদরা। জুন মালিয়া থেকে দেব, মমতার বিরোধিতায় প্রথম সারিতে নাম আছে সকলেরই (TMC Celebrity MP)।

বিদ্রোহী সেলিব্রেটি সাংসদের তালিকা (TMC Celebrity MP)
তৃণমূলের একাধিক সেলিব্রেটি সাংসদ মমতার দল ছাড়ছেন বলে সূত্রের খবর। দলের থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে তৃণমূলের সেলিব্রেটি সাংসদরা। এই তালিকায় আছেন জুন মালিয়া, ইউসুফ পাঠান, শতাব্দী রায়, রচনা ব্য়ানার্জি, শত্রুঘ্ন সিনহা। এমনকি এই দলে মমতার তুরুপের তাস দেবও এই দলে নাম লিখিয়েছেন বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কোয়েল মল্লিক। তবে, সেলিব্রেটিদের মধ্যে মমতার সঙ্গ ছাড়েননি সায়নী ঘোষ, খবর সূত্রের। অতএব বলাই বাহুল্য ৮০ শতাংশ সেলিব্রেটি সাংসদ বিদ্রোহী দলে নাম লিখিয়েছেন আপাতত। বাকি ২০ শতাংশও থাকব কিনা সে বিষয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
এছাড়া, এই ২০ জন সাংসদের মধ্যে আছে কাকলি, শতাব্দীর পাশাপাশি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত মাল, জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী, পার্থ ভৌমিক, শর্মিলা সরকারেরা। শর্মিলার দাবি, ২০ জনেরও বেশি লোকসভা সাংসদ বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন।

ইন্ডি জোটের বৈঠকের মাঝেই তৃণমূলের ভাঙন স্পষ্ট (TMC Celebrity MP)
ইন্ডি জোটের বৈঠক চলাকালীনই দিল্লিতে শুরু হল জোর রাজনৈতিক জল্পনা। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের ৯ নম্বর মতিলাল নেহেরু মার্গের সরকারি বাসভবনে বৈঠকে বসেছেন তৃণমূলের একাধিক বিক্ষুব্ধ সাংসদ। জানা যাচ্ছে, প্রায় ১২ জন সাংসদ এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন। দুপুরে সেখানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগেই তিনটি গাড়িতে করে বাসভবনে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা।
এদিন রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রে রয়েছেন সুখেন্দু শেখর রায়। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি ফোন সুইচ অফ করে দেন। যাওয়ার আগে স্পষ্ট ভাষায় জানান, তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছেন। তৃণমূল ভাঙানোর রাজনীতিতেও যে তিনি সক্রিয়, তা বেশ স্পষ্ট। রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে উপ-রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরই তিনি সরাসরি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে পৌঁছে যান।


