Abhisekh Bandhyapadhay
Bengal liberty:
ভবানীভবনে পৌঁছালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (abhishek bandyopadhyay)। জালসই কাণ্ডে ডেডলাইন দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। অবশেষে ভবানীভবনে উপস্থিত হলেন অভিষেক। এর আগে ৩ বার গোয়েন্দা বিভাগের হাজিরা এড়িয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। অবশেষে বিকেল ৫.৪৯ নাগাদ প্রবেশ করলেন ভবানীভবন পৌঁছাল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

এয়ারপোর্ট থেকে বেরতেই চোর স্লোগানে জর্জরিত হয় অভিষেক। জালসই কাণ্ডে তিনবার সিআইডির হাজিরা এড়িয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে ২০ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামে। সেখান থেকে কালীঘাটের বাড়ি হয়ে কলকাতা ভবানীভবনে পৌঁছালেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বিধানসভায় জাল সই কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গোয়েন্দা বিভাগীয় আধিকারিকরা একাধিকবার তলব করেছিল তাকে। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা, শহরের বাইরে থাকার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়েছিলেন ভাইপো। তবে, গ্রেফতারির ভয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছিলেন।
কল্যাণের অভিযোগ
বলাবাহুল্য, অভিষেকের মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেকের বিরুদ্ধে। আইনজীবী কল্যাণ সাফ জানিয়েছেন, ” অভিষেক থাকলে তিনি মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকবেন না। মমতাকে বাছতে হবে কোন একজনকে। ওর জন্য চোর স্লোগান শুনতে হয়। ও নিজেও শোনে, আমাদেরও শোনায়” জমে থাকা অসন্তোষ ও অভিষেকের ‘ঔদ্ধত্যের’ বিরুদ্ধে রাগ বিস্ফারিত হয় আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণের।
ভবানীভবনে গোয়েন্দা বিভাগের তরফ থেকে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেকোন বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করা হয়। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা ভবানীভবন।

