NCPI
Bengal Liberty, ১৫ জুন :
২৪ ঘণ্টা আগেও ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই- এর কোনও অস্তিত্ব ছিল না বঙ্গে (NCPI)। রবিবার উদয় হয় দলটির ফেসবুক পেজ। কার্যত অস্তিত্বহীন এই দলের ফলোয়ার সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। রবিবার সন্ধ্যে অবধি যে দলের নাম কেউ শোনেনি সেই দলের ফলোয়ার সংখ্যা এখন আড়াই হাজার। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা যখন এই দলে যোগদান করে তখনই পরিচিতি পায় দলটি। এই দলের ফেসবুক পেজের একটি পোস্ট অনুযায়ী লোকসভায় এনসিপিআই-এর সাংসদ সংখ্যা ২০, যা পশ্চিমবঙ্গে “সংসদীয় শক্তির বিচারে বৃহত্তম”। ওই দলেরই ফেসবুক পেজে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দলটির প্রধান কার্যালয় হাওড়ার সাঁকরাইল থানা এলাকার হাটগাছে গ্রামে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা হাটগাছারই বাসিন্দা পেশায় কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শিউলি কুণ্ডু (NCPI)।

এনসিপিআই- এর ফেসবুক পেজ (NCPI)
এনসিপিআই-এর ফেসবুক খোলা মাত্র ফেসবুক পেজে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের একে একে স্বাগত জানিয়ে একাধিক পোস্ট করা হয়। বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে স্বাগত জানিয়ে প্রথম পোস্ট করা হয়। এর পাশাপাশি এনসিপিআই-এর তরফে একটি গ্রাফিক পোস্ট করা হয়। যেখানে দেখানো হয় লোকসভায় সাংসদ সংখ্যার নিরিখে তারাই এখন পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি। ওই গ্রাফিকে দেখানো হয়েছে, রাজ্য থেকে বিজেপির ১২ জন, তৃণমূল কংগ্রেসের ৮ জন এবং কংগ্রেসের ১ জন সাংসদ রয়েছেন। অন্যদিকে এনসিপিআই-এর সাংসদ সংখ্যা ২০। পোস্টে লেখা হয়েছে, “লোকসভায় ২০টি আসন নিয়ে এনসিপিআই এখন সংসদীয় শক্তির বিচারে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম শক্তি এবং জাতীয় স্তরে রাজ্যের কণ্ঠস্বর।” যদিও কাকলী ঘোষ দস্তিদার রবিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দাবি করেন, ” ২০ নয় সংখ্যাটা ২২ হতে চলেছে খুব শীঘ্রই।” তবে নতুন এই ২ কে! তা অবশ্য খোলসা করেননি তিনি। পাশাপশি এনসিপিআই-এর ফেসবুক পেজে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের একাধিক বক্তব্য ও আর্টিকেল পোস্ট করা শুরু হয়েছে।

এনসিপিআই-এর সঙ্গে মিশে গেল বিদ্রোহী সাংসদরা (NCPI)
রবিবার সন্ধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের ২০ জন সাংসদ। বৈঠকের পর তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, তাঁদের গোষ্ঠী ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়’ (এনসিপিআই)-এর সঙ্গে যোগ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।স্পিকারের বাসভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ” আমরা তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, আমরা ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি’র সঙ্গে মিশে যাচ্ছি।” শুধু দলবদল নয়, আগামী দিনে তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট তিনি বলেন, “এখন থেকে আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এনডিএ জোটের অংশ হিসেবে একসঙ্গে কাজ করব।”



