Abhishek Banerjee party office
Bengal Liberty
ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের(Abhishek Banerjee party office) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় হিসেবে পরিচিত একটি ‘অবৈধ’ নির্মাণ উচ্ছেদকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক তরজা এবং বিস্ফোরক সব অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ।

অবৈধ এম পি র অবৈধ পার্টি অফিস থেকে বস্তা বস্তা সাদা থান বার করলো প্রশাসন(Abhishek Banerjee party office)
শনিবার আমতলার ওই কার্যালয়টিকে স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ নির্মাণ হিসেবে চিহ্নিত করে ভেঙে দেয়। উচ্ছেদ অভিযান শেষ হতেই ময়দানে নামেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস (ববি)। তিনি দাবি করেন, ওই কার্যালয় থেকে বস্তা বস্তা সাদা থান (বিধবাদের পরিধেয় বস্ত্র) উদ্ধার হয়েছে। একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতা বলেন, “২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল জিতলে, এই সাদা থানগুলো প্রকৃত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ছক কষা হয়েছিল।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অতীতেও কয়লা পাচার, গোরু পাচার কিংবা শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিরোধী শিবির। তবে বরাবরের মতোই এই সমস্ত অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।


পাল্টা সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবির(Abhishek Banerjee party office)
পাল্টা সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরও। তৃণমূলের অভিযোগ, প্রশাসনকে অপব্যবহার করে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। দলের আরও দাবি, উচ্ছেদের সুযোগ নিয়ে বিজেপি কর্মীরা জোর করে ওই কার্যালয়ে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও জিনিসপত্র লুটপাট করেছে। এদিকে, আমতলার এই উচ্ছেদকাণ্ডের জল গড়িয়েছে আদালতেও। রবিবার এই ঘটনায় একটি বিশেষ মামলা দায়ের করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, একদিকে বিজেপির ‘সাদা থান’ উদ্ধারের মারাত্মক অভিযোগ, আর অন্যদিকে তৃণমূলের লুটপাটের পাল্টা দাবি— দুইয়ে মিলে ডায়মন্ড হারবারের রাজনৈতিক উত্তাপ এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে।

