সিজিপি বিক্ষোভ
Bengal Liberty
বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজধানী দিল্লি (Cockroach Janata Party)। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র ডাকা কর্মসূচিকে ঘিরে যন্তর মন্তর ও সংসদ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ, ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা সামনে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় দিল্লি পুলিশ।

দলীয় সূত্রে দাবি, সোমবার যন্তর মন্তরে প্রায় ৮ হাজার সমর্থক জড়ো হন। জাতীয় পতাকা ও সংবিধানের কপি হাতে নিয়ে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই সংসদের উদ্দেশে মিছিল শুরু করেন তাঁরা। তবে দিল্লি পুলিশের দাবি, এই কর্মসূচির জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। আগেই জমায়েতকে বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপরও বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

সংসদ চত্বরে উত্তেজনা
কর্মসূচির আগে সমাজমাধ্যমে বার্তা দিয়ে সিজেপি জানায়, প্রবল বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। উল্লেখ্য, নিট-কাণ্ডের প্রতিবাদে গত ২০ জুন এই আন্দোলনের সূচনা হয়। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও তোলা হয়েছে। আন্দোলনের সপ্তম দিনে অনশনে বসেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। পরে তাঁকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, তাঁর সমর্থকদের দাবি অনশন এখনও চলছে। তবে তাঁর সঙ্গে অনশনে থাকা তিন পড়ুয়া সোমবার সকালে উপবাস ভঙ্গ করেছেন।

এদিনের বিক্ষোভে যোগ দেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো এবং অভিনেত্রী শাবানা আজমি-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অবস্থান মঞ্চ থেকে শাবানা আজমি বলেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতেই প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে কোনওরকম আপস করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

