Bengal Liberty
কলকাতায় আন্দোলনে আক্রান্ত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) । তাঁর দাবি, ” ছাত্র আন্দোলন করে আমরাও বড় হয়েছি, ইউনিট স্তর থেকে সর্বভারতীয় স্তরে ছাত্র আন্দোলনের অভিজ্ঞতা আছে। আজ, ওরা ঝান্ডা ধরেনি, ডান্ডা ধরেছিল। ডান্ডায় পতাকা লাগিয়ে এসেছিল। আমি হতবাক! এটা আন্দোলন নয় , পাশবিক উল্লাস। ”

টার্গেট মিডিয়া Ritabrata Banerjee
আজ, কলকাতা জুড়ে ছাত্র আন্দোলনে একাধিক সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছেন। বাম সমর্থকদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন কলকাতার ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকরা। কিন্তু সংবাদ মাধ্যমকে সেখানে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থার স্বীকার হতে হয়। গদি মিডিয়া বলে অসম্মানিত করা, বুম কেড়ে নেওয়া, ক্যামেরায় জল ছিটিয়ে দেওয়ার মত কাজ চলে আন্দোলনের মাঝে।

সাংবাদিক পেশাটি গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও চূড়ান্ত অপমানের মুখে পড়তে হয় একাধিক সাংবাদিককে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেছেন, ” যারা এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের সকলকেই এই দায় নিতে হবে। যারা এই গুন্ডামির সঙ্গে যুক্ত, ফুটেজে তাদের সহজেই চিহ্নিত করা যাচ্ছে। সরকারের কাছে অনুরোধ কঠিনতম শাস্তি দোষীদের চিহ্নিত করে দেওয়া হোক। বামপন্থী নেতাদের এই দায় স্বীকার করতে হবে। ”
আরও খবর
দোষীদের শাস্তির দাবি বিরোধী দলনেতার Ritabrata Banerjee
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পরেই এসএসকেমে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা। আক্রান্ত সকল সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বিগত দিনেও বারংবার সাংবাদিকরা আক্রান্ত হয়েছেন বহু ক্ষেত্রে।

এসএসকেম থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ” মিডিয়াকে টার্গেট করা হয়েছে। এরা চায় সাংবাদিকদের আক্রমণ করে তার দায় অন্য পার্টির উপর চাপাবে। যারা করেছেন বা এসেছেন, নির্দেশ পেয়েই করেছেন। কারা জড়িত সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।” ধর্মতলার আন্দোলনের নামে গুন্ডামির জেরে একাধিক সংবাদ মাধ্যম আক্রান্ত হয়েছে। চিত্র সাংবাদিক থেকে রিপোর্টার, কেউ ছাড় পায়নি। জেন জি – এর আন্দোলনের মাঝে এই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা। বহু সাংবাদিকদের দাবি, টার্গেট করে মারধর করা হয়। ক্যামেরা ভাঙা হয় বলে দাবি ঋতব্রতর।

গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতা হওয়া সত্ত্বেও একাধিকবার বিভিন্ন জায়গায় হেনস্থা হতে হয়েছে সাংবাদিকদের। অথচ সত্যিটা জনসাধারণের সামনে তুলে ধরাই সাংবাদিকদের পেশা। কিন্তু আজ , আন্দোলনে নিরপরাধ মিডিয়া টার্গেট হল। পরবর্তী পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর।


