CAG report
Bengal Liberty : আমফান ত্রাণে দুর্নীতির অভিযোগ এখন রাজ্যের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ( CAG report)। সেই অভিযোগের তদন্তে ক্যাগ রিপোর্ট আজ, শনিবার বিধানসভায় পেশ হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে সেই ক্যাগ-এর রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সিএজির রিপোর্টগুলির মোট ২৮টি রিপোর্ট ধাপে ধাপে বিধানসভায় তোলা হবে। রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা শেষে পরবর্তী অধিবেশনে আলোচনা ও সুপারিশগুলির ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, যেখানে দুর্নীতির প্রমাণ মিলবে, সেখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, প্রাক্তন মন্ত্রী বা প্রভাবশালী নেতা, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে রাজ্যপালের কাছে এফআইআর দায়েরের সুপারিশ করা হবে ( CAG report)।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ক্যাগ রিপোর্ট? ( CAG report)
ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ২ দফায় মোট ৩,৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টনে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত গড়ায় এবং জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে বিশেষ ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষ হলেও সেই রিপোর্ট এতদিন প্রকাশ্যে আনা হয়নি এবং বিধানসভাতেও পেশ করা হয়নি। এবার প্রথমবার সেই রিপোর্ট বিধানসভায় উপস্থাপন করা হবে। রিপোর্টে কী তথ্য উঠে এসেছে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

ক্যাগ রিপোর্ট আসলে কী? ( CAG report)
ক্যাগ বা Comptroller and Auditor General of India (CAG) হল দেশের একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের আয়-ব্যয়, সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখে এই সংস্থা।কোনও প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপচয়, অনিয়ম বা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে ক্যাগ সেই বিষয়টি অডিট করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে। সেই রিপোর্ট সাধারণত সংশ্লিষ্ট বিধানসভা বা সংসদে পেশ করা হয়। এরপর রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয় এবং প্রয়োজন হলে সুপারিশের ভিত্তিতে প্রশাসনিক বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আমফান ত্রাণ সংক্রান্ত এই ক্যাগ রিপোর্টও সেই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি।

আরও পড়ুন :
CM Suvendu Adhikari : লরি আটকে ঘুষ! অ্যাকশনে শুভেন্দুর সরকার

