Donald Trump
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমাগত বাড়তে থাকা উত্তেজনার(Donald Trump) মধ্যেই দ্বিমুখী বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একদিকে যখন ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় আমেরিকা টানা ১৩ দিন ধরে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে ঠিক তখনই ইরানের সঙ্গে আলোচনার দরজাও খোলা রাখলেন ট্রাম্প।
কড়া সুর চড়িয়ে তাঁর প্রকাশ্য হুঁশিয়ারি, “আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে যুদ্ধের জন্যও আমরা পুরোপুরি তৈরি।”

মার্কিন কংগ্রেসের চাপেই কি দুই নীতি(Donald Trump)
ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী বার্তার পরেই আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে— মার্কিন কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনার মুখেই কি ইরানকে এভাবে দুই দিক থেকে চাপে রাখতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
প্রসঙ্গতঃ, সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান-নীতি এবং এর ফলে আমেরিকার সম্ভাব্য বিপুল আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের একাধিক কমিটিতেও এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাই নিজের পদক্ষেপের যৌক্তিকতা প্রমাণ করা এবং অভ্যন্তরীণ চাপ সামাল দিতেই কি ট্রাম্প ইরানের সামনে একসঙ্গে যুদ্ধ ও আলোচনার প্রস্তাব রাখলেন?— তা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

ইরানের লড়াই ও অচলবস্থা(Donald Trump)
ইরান-আমেরিকা সংঘাতের শুরু থেকেই আমেরিকার অত্যাধুনিক সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইরান। এর মধ্যে বহুবার বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালী দখল ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছে পুরো অঞ্চল।হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সেনার নজিরবিহীন উপস্থিতির কথা সবারই জানা, যা প্রকাশ্যে সমর্থনও করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তবে আমেরিকার লাগাতার সামরিক চাপ সত্ত্বেও নতিস্বীকার করেনি ইরান। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইরানের ‘রেভোলিউশনারি গার্ড’। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো লক্ষণ এই মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে না, বরং উত্তেজনার পারদ দিন দিন আরও বাড়ছে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কবে হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা।

