Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিল। প্রথমবারের(US Iran War) মতো সরাসরি ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে কুয়েত ও বাহরাইন।একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে কুয়েত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযানে অংশগ্রহণের কথা অস্বীকার করেছে; অন্যদিকে বাহরাইন এখনো কোনো সরকারি মন্তব্য করেনি।

ইরানের সামরিক ঘাঁটি নিশানা(US Iran War)
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জামের ডিপো। সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) গোয়েন্দা তথ্য ও প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই অভিযানকে উপসাগরীয় দেশগুলোর কৌশলগত অবস্থানের এক বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কেন এই হামলা(US Iran War)
গত কয়েক সপ্তাহে ইরান একাধিকবার কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) জানিয়েছিল, কুয়েতের আলি আল সালেম এয়ার বেস এবং বাহরাইনের মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়।
আরও খবর
কুয়েতের অস্বীকার, জল্পনা তীব্র(US Iran War)
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে কুয়েতের অংশগ্রহণের খবর প্রকাশিত হলেও, কুয়েতি রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন যে তাঁদের দেশ ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি। ফলে এই হামলা নিয়ে কূটনৈতিক জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে। বাহরাইনও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মহাযুদ্ধের আশঙ্কা(US Iran War)
বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েত ও বাহরাইনের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালীর উত্তেজনা, ইয়েমেনের হুতি হামলা এবং ইরান-আমেরিকা সংঘাত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দিল। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের ওপর অনিশ্চয়তার কালো ছায়া ঘনিয়ে এসেছে।


