Bengal Liberty : জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডল গ্রেফতারেরও পর তদন্তে এবার বড় সাফল্য পেল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (Hamim Mandal)। হামিমের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল অর্পিতার। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে(Hamim Mandal)।

‘হানিট্র্যাপে’র মাধ্যমে অপহরণ! (Hamim Mandal)
তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলার প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের টার্গেট করেই পরিকল্পনা সাজিয়েছিল হামিম। সেই উদ্দেশ্যেই অর্পিতাকে ব্যবহার করা হতো বলে অভিযোগ। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে অর্পিতার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি করানো হয়েছিল। সেই সূত্রে তাঁদের ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো বলে তদন্তকারীদের দাবি। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই সম্ভাব্য হামলার ছক তৈরি করা হচ্ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামিমের যোগাযোগ, সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক এবং তথ্য সংগ্রহের পুরো চক্র সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

গ্রেফতার হামিম (Hamim Mandal)
সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই এসটিএফের জালে ধরা পড়ে হামিম। শুক্রবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউজিংয়ের জিম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তদন্তের সূত্র ধরেই ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে অর্পিতা সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিমদের আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার দীর্ঘনগর গ্রামে। তার বাবা মনিরুদ্দিন মণ্ডল ১৯৯৮ সাল থেকে কর্মসূত্রে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় বসবাস করছেন। পরে তিনি এক অবাঙালি মহিলাকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় দু’মাস আগে পরিবারটি বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউজিংয়ের রোহিনী টাওয়ারে একতা মেহেরার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে।
আরও খবর

আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/07/31/terrorist/


