Bengal Liberty:
দুই ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এই সংঘর্ষ নিয়ে কোনও রাজনৈতিক দলের মন্তব্য করাও সংঘর্ষকে উস্কানি দেওয়ার শামিল—এমনই মত প্রকাশ করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত(Swapan Dasgupta)। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক নষ্ট করার ঘটনারও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

Swapan Dasgupta
আরও খবর
শুক্রবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “যাদবপুরের প্রতীকটা কী ভাবে ভেঙে গেল! সেটাকে আবার মেরামত করা যাবে। কিন্তু অসম্মান করা হয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। নন্দলাল বসু ওটা তৈরি করেছিলেন। কেন তৈরি করেছিলেন? কারণ, যাদবপুরের ইতিহাস আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে নিবিড় ভাবে সম্পর্কিত। যাদবপুরের শিকড় যদি কেউ দেখতে চান, তা হলে দেখবেন, শ্রীঅরবিন্দ যে জাতীয় শিক্ষা শুরু করেছিলেন, তার সঙ্গেই এটি সম্পর্কিত। তাই পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যাদবপুরের একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।”
প্ররোচনা দেওয়া উচিত নয় (Swapan Dasgupta )
এই ঘটনায় ABVP এবং SFI-এর মধ্যে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতারা মন্তব্য করেছেন। এই বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, “আমার পর্যবেক্ষণ হল, ছাত্রদের বিষয়টা ছাত্রদেরই দেখতে দিন। বাইরের লোকেরা যতটা হস্তক্ষেপ এড়িয়ে চলতে পারেন, ততই ভাল। আমি বলতে চাই, সব ধরনের রাজনৈতিক লোকজন যাদবপুরে অশান্তি প্ররোচিত করা থেকে দূরে থাকুন। আমি মনে করি, অনেক প্ররোচনা রয়েছে। সেই প্ররোচনার ফাঁদে ছাত্রদের পা দেওয়া উচিত নয়।”

যাদবপুরের আঁচ(Swapan Dasgupta)
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের লাগোয়া। ফলে এক বিধানসভা কেন্দ্রে ঘটে যাওয়া এমন রাজনৈতিক উত্তেজনার আঁচ যে পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও পড়বে, সেটাই স্বাভাবিক। সেই প্রসঙ্গ টেনে রাসবিহারীর বিধায়কের মন্তব্য, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ঠিক আমাদের বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে না, কিন্তু একেবারে সীমানাতেই। রাস্তার এ পারটা রাসবিহারী, রাস্তার ও পারটা যাদবপুর। তাই যাদবপুরে কী হয়, তার প্রভাব রাসবিহারীতে পড়ে। একই ভাবে, রাজ্যের প্রথম সারির এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবিটাও গোলমাল হয়ে যায়।”
Swapan Dasgupta
ভিডিয়ো বার্তায় তিনি আরও বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি বড় উৎকর্ষ কেন্দ্র। এর যাতে উন্নতি হয়, যাদবপুর যাতে সারা ভারতে আরও স্বীকৃতি পায়, তা আমরা সবাই চাই। দীর্ঘ দিন ধরে নানা কারণে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরও ক্ষতি হতে দেবেন না। এটা কোনও দলীয় বার্তা নয়। এটা হৃদয়ের কথা।”

আরও পড়ুনঃ সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করে উসকানিমূলক পোস্ট! রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেতাদের আচরণে বাড়ছে চাপানউতোর


