Illegal migrants
Bengal liberty desk, kolkata :
রাজ্যে ‘ হোল্ডিং সেন্টার ‘ তৈরির সরকারি নির্দেশিকা জারি হতেই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরার হিড়িক অনুপ্রবেশকারীদের (Illegal migrants)। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। এতদিন যেখানে ভারতে চলত অবাধ প্রবেশাধিকার সেখানেই আজকে 3D অ্যাকশনের ভয়ে সীমান্ত ছাড়তে মরিয়া অবৈধ অনুপ্রবেশ কারীরা।

পালাবদল হতেই 3D অ্যাকশন মোডে রাজ্য (Illegal migrants)
পুরনো সরকারের জমানায় যেখানে ছিল অবৈধ প্রবেশের ছাড়পত্র, সেখানে নতুন সরকার আসতেই শুরু 3D অ্যাকশন অর্থাৎ ডিক্টেক্ট – ডিলিট এর পর এবার পালা ডিপোর্টের। এরপরই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন অনুপ্রবেশ কারীরা। সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাকিমপুর সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশিদের। যদিও বদলায়নি বুধবারের চিত্রও। তবে বর্তমানে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন ৩৫ থেকে ৪০ জন অবৈধ অনুপ্রবেশকারী।

কি বলছেন হাকিম পুর সীমান্তে থাকা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ কারীরা?
সম্প্রতি রাজ্যে অবৈধ প্রবেশ রুখতে ‘ হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে নতুন সরকার। ফলে ইতিমধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলা দেশি অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে। তৃণমূল নেতা ধরলেই মিলত জাল নথি। এমনকি ১৫ বছর ধরে চলত অবাধ সীমান্ত পারাপার! এখানে লক্ষীর ভান্ডার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সাথী, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড সব কিছুর সুবিধা তাঁরা পেত। এমনটাই দাবি জানিয়েছেন হাকিমপুর সীমান্তে জড়ো হওয়া অনুপ্রবেশ কারীরা।
এতদিন কিভাবে ভারতে প্রবেশ করতেন বাংলাদেশিরা?
সীমান্ত পার করার আগে পশ্চিমবঙ্গে দালাল দের সঙ্গে যোগাযোগ করত বাংলাদেশিরা। আর সেই দালাল রাই তাদের নামে অবৈধ আধার কার্ড, রেশন কার্ড তৈরি করে।এরপরই সুযোগ বুঝে ভারতে ঢোকানো হয় ওই অনুপ্রবেশ কারীদের। বাড়ি ফিরতে মরিয়া এক বাংলা দেশি নাগরিক আখতারুল। দাবি করেছেন যে, চার বছর আগে ভারতে ঢুকতে দালালকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন তিনি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে সন্দেহভাজনদের ৩০ দিন পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে। এছাড়াও, যাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া চলছে এবং যাদের ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে, তাঁদেরও এই কেন্দ্রে রাখা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের এই কড়া সিদ্ধান্তের কথা জানার পরই অনুপ্রবেশকারীরা পালানোর জন্য সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

