Smart Electric Meter
Bengal Liberty, ৬ জুন ২০২৬ :রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর একের পর এক উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।(Smart Electric Meter) ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প থেকে শুরু করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, কিংবা সরকারি বাসে মহিলা ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিখরচায় সফর—আগামী দিনে আরও কিছু নতুন পরিষেবা চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও আর্থিক স্বচ্ছতা আনতে রাজ্য সরকারি দপ্তরগুলিতে প্রি-পেইড স্মার্ট মিটার স্থাপনের একটি যুগান্তকারী নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি দপ্তরগুলির বিদ্যুৎ খরচে যেমন শৃঙ্খলা আসবে, তেমনই রিডিং নেওয়া ও বিল সংক্রান্ত জটিলতাও দূর হবে।

নির্দেশিকা ও বাস্তবায়নের প্রধান দিকগুলি(Smart Electric Meter)
বাজেট বরাদ্দ ও বিলিং পদ্ধতি: সরকারি অফিসগুলির ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসাররা (DDO) টেলিফোন ও ইন্টারনেটের বিলের মতোই তাঁদের নিজস্ব বাজেট বরাদ্দ থেকে এই প্রি-পেইড মিটারের রিচার্জ করতে পারবেন।
বিদ্যুৎ ব্যবহার পর্যবেক্ষণ: দপ্তরগুলিকে বিদ্যুতের বাজেট সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ রোধে নিয়মিত নজরদারি চালাতে হবে।
রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: এই মিটারের মাধ্যমে দপ্তরগুলি বাস্তব সময়ে (real-time) বিদ্যুৎ খরচ ট্র্যাক করতে পারবে, যা বিলিং সংক্রান্ত সমস্ত ঝামেলা দূর করবে।

স্মার্ট মিটারের যুগ(Smart Electric Meter)
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ধাপে ধাপে সমস্ত সরকারি ভবন এবং সাধারণ গ্রাহকদের বাড়িতে প্রি-পেইড বা পোস্টপেইড মডেলে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই নতুন পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।
২০০৩ সালের আইন(Smart Electric Meter)
২০০৩ সালে সংসদে ‘মিটার রেগুলেশন’ সংক্রান্ত বিল পাশ হয়, যা পরে আইনে পরিণত হয়। ২০০৬ সালে এই আইনটি সংশোধন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, ২০২০ সালে উপভোক্তা অধিকার বিষয়ক আরও কিছু ধারা সংশোধিত হয়। তার ভিত্তিতেই ২০২৪ সালে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, যার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকীকরণের প্রথম ধাপ হিসেবে স্মার্ট মিটার বসানো। রাজ্যে এই কাজ শুরু হলেও এক সময় তা থমকে গিয়েছিল। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর বর্তমান বিজেপি সরকার পুনরায় স্মার্ট মিটার বসানোর কাজে জোর দিচ্ছে। আর এই প্রক্রিয়াটি শুরু হচ্ছে রাজ্যের সরকারি দপ্তরগুলি থেকেই।
বিগত ১৫ বছরে রাজ্যের প্রতিটি বিভাগ যেভাবে পিছিয়ে পড়েছিল, তা কাটিয়ে উঠে একের পর এক নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে বাংলাকে পুনর্গঠন করতে তৎপর হয়ে উঠেছে নতুন সরকার।

আরো পড়ুন:- Kunal Ghosh Statement: ‘একই ভুলের সঙ্গে নেই!’ কুণালের পোস্টে তোলপাড়

