Sushmita Dev
Bengal Liberty, ১০ জুন :
বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর এবার তৃণমূলের ভরাডুবি হতে চলেছে রাজ্যসভাতেও (Sushmita Dev)। প্রবীণ তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায়ের ইস্তফার পর এবার তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন উত্তর-পূর্ব ভারতের হেভিওয়েট নেত্রী সুস্মিতা দেব। শুধু সাংসদ পদ নয় তৃণমূলের সমস্ত পদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। ইস্তফা দেওয়া মাত্র তিনি সাক্ষাত করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে। তাঁর এই সাক্ষাতকে কেন্দ্র করে ক্রমশ জটিল হচ্ছে জল্পনা। অসম বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সুস্মিতা? যদিও পুরো জল্পনাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সুস্মিতা (Sushmita Dev)।

সুখেন্দুর পর সুস্মিতা (Sushmita Dev)
প্রবীণ নেতা সুখেন্দুশেখর রায়ের ইস্তফার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম পরিচিত তথা প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেব। একের পর এক সাংসদদের সরে যাওয়ার ঘটনায় তৃণমূলের সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের সংগঠন বিস্তারের ক্ষেত্রে সুস্মিতা দেব ছিলেন অন্যতম প্রধান মুখ। তাঁর বিদায় তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক, দুই ক্ষেত্রেই বড় ধাক্কা হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইস্তফা দিয়ে কী বললেন সুস্মিতা ? (Sushmita Dev)
ইস্তফা দিয়ে সুস্মিতা দেব বলেন, “আমি কোন দলে থাকব, কোন রাজনীতি করব তা আমার ব্যাপার।” বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি কিছু না বললেও বিজেপির ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন, “রাজনীতি করার নানা উপায় আছে ৷ আমি চাই অসমের মানুষজনের সেবা করতে ৷ আমি তৃণমূল ছেড়ে দিয়েছি ৷ অসমে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি ৷ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গেও দেখা করেছি ৷ তাঁর কাজকর্ম নিয়ে আমি সন্তুষ্ট ৷ বিজেপি সরকার দেশজুড়ে যেভাবে কাজ করছে তাতে আমি খুব খুশি ৷” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বলেন, “তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কোনও কথা বলতে চাই না ৷ গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন দেশে আমি কাউকে কোনও ব্যাপারে টানতে চাই না ৷ এটা আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত ৷ যাঁরা আমার ইস্তফা খারাপ চোখে দেখছেন তা নিয়েও কোনও কথা বলতে চাই না ৷” এখন শুধু দেখার সুস্মিতার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে।


