Sushmita Dev
Bengal Liberty:
প্রবীণ নেতা সুখেন্দু শেখর রায়ের পর রাজ্যসভায় সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নেত্রী সুস্মিতা দেব। রাজ্যসভায় বড়সড় ধাক্কার মুখে দাঁড়িয়ে তৃণমূল। ২০২১ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত করা হয় সুস্মিতাকে। কিন্তু দলের অন্দরে ভাঙন ধরতেই সুখেন্দুর পর সুস্মিতা পদত্যাগ করলেন সাংসদের পদ থেকে।

ইস্তফা সুস্মিতার
তৃণমূলে যোগদান করার পর রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল উত্তর পূর্ব ভারতের নেত্রী সুস্মিতাকে। বিজেপি প্রার্থী না থাকার দরুণ বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় জয়ী হয়েছিলেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত করে। তৃণমূলের মূল লক্ষ্য ছিল উত্তর পূর্ব ভারতে দলের বিস্তার ঘটানো। কার্যত ত্রিপুরা ও আসাম সংলগ্ন অঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের এই সাংসদকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই দুই রাজ্যে তৃণমূলের বিস্তার অসমাপ্ত থাকে।

বাংলা থেকে রাজ্যসভায় ১৬টি আসন রয়েছে, যেখানে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ছিল ১৩জন। কিন্তু দলের আভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের ফলে চিত্রটি বদলে যায়। ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর। অভিনেত্রী তথা সাংসদ কোয়েল মল্লিক ইস্তফা দিতে পারেন বলে জল্পনা চলছে। অন্যদিকে সুস্মিতা দেব পদত্যাগ করার ফলে বড়সড় ভাঙনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস।
নিয়মানুসারে, একসঙ্গে তিনটি আসন শুন্য হলে নতুন করে ভোট অনুষ্ঠিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। তবে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তিনটি আসন গেরুয়া শিবিরের হস্তান্তর হওয়ার সম্ভবনা প্রবল। তবে কি, তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতার ইস্তফায় রাজ্যসভার তিনটি আসন ছিনিয়ে নেবে বিজেপি! জল্পনা তুঙ্গে।

