Iran US War
Bengal Liberty
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের(Iran US War) উপকূলে সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবু শহরের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘আরামকো’র স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন যুদ্ধের ফ্রন্ট উন্মোচিত হয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

হামলার মূল ঘটনা ও প্রেক্ষাপট(Iran US War)
জিজান ও ইয়ানবুতে হামলা(Iran US War)
লোহিত সাগর তীরবর্তী সৌদি তেল স্থাপনাগুলোতে হুতিদের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে জিজান শোধনাগারে আগুন ধরে যায় এবং ভারী ধোঁয়া দেখা যায়। অন্যদিকে, ইয়ানবুর দিকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়।
নৌ-অবরোধের ঘোষণা(Iran US War)
হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লোহিত সাগরে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করেছে এবং দেশটির সমস্ত তেল স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে।

তেলের বাজারে প্রভাব(Iran US War)
হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হুমকির মুখে পড়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলা(Iran US War)
হুতিদের এই আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনের মারিব, আল-জাওফ ও হোদেইদা অঞ্চলে বিদ্রোহী হুতিদের সামরিক ঘাঁটি, ড্রোন এবং অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি জোট।
মার্কিন অবস্থানের বিরতি(Iran US War)
ইরানের সাথে বহুমুখী উত্তেজনার মাঝেও গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি নতুন কোনো বিমান হামলা চালানো থেকে বিরত ছিল।
ভয়ঙ্কর যুদ্ধের সূচনা(Iran US War)
এরই মাঝে কুয়েত ও বাহরাইন ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের বেশ কিছু অঞ্চলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একদিকে আমেরিকাকে সমর্থন জানাচ্ছে কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরব; অন্যদিকে পাল্টা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি আদৌ কোনোদিন স্বাভাবিক হবে কি না, তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরো বিশ্বের মানচিত্রে যেন শুধুই যুদ্ধের ছায়া, যার কোনো বিকল্প সমাধান আপাতত দেখা যাচ্ছে না।

