Trinamool Congress
Bengal Liberty: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতা যেন থামছেই না। একে একে পদ ছাড়ছেন অভিজ্ঞ নেতারা। প্রদীপ ও রবীন্দ্রনাথের পর এবার পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সদ্য নিযুক্ত পান্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

কী ঘটেছে? (Trinamool Congress)
রাজ্যে পালাবদলের কিছুদিনের মধ্যেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সব কমিটি ভেঙে নতুন করে সাজিয়েছিলেন, যেখানে মূলত প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন কমিটি গঠনের পরই শুরু হয়েছে ইস্তফার হিড়িক। নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সোশাল মিডিয়া মারফত জানতে পারেন যে তাঁকে পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি পদে মনোনীত করা হয়েছে। এরপরই তিনি দলীয় রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কাছে একটি চিঠি পাঠান।

ইস্তফাপত্রের বয়ান (Trinamool Congress)
নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতিতে তাঁর পক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি জেলা সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করছেন।

তৃণমূলের অন্দরে জল্পনা (Trinamool Congress)
একদিকে কাউন্সিলরদের গ্রেফতারি, অন্যদিকে একের পর এক অভিজ্ঞ নেতাদের পদত্যাগে মমতার দলে এখন কার্যত ‘অভিভাবকহীন’ দশা। প্রদীপ, রবীন্দ্রনাথের পর এবার নরেনের ইস্তফা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। একের পর এক মমতাপন্থী নেতার এই দলত্যাগ দলের অন্দরে চরম ক্ষোভ ও অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


