দু’মাস ধৈর্য ধরতে পারতেন, এত তাড়াতাড়ি দল ছাড়লেন কেন?’— বিদ্রোহীদের প্রশ্ন মমতার (Mamata Banerjee)
দলের সাংগঠনিক টানাপোড়েনের আবহে শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে আবেগঘন বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, “এখন বেশি কথা বলি না, নীরবতাই আসল কথা বলে।” একই সঙ্গে দল ছেড়ে যাওয়া নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “দু’মাস ধৈর্য ধরতে পারতেন, এত তাড়াতাড়ি দল ছাড়লেন কেন?”
শনিবারই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়ার পর দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহে মমতার এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল নেত্রী জানান, প্রতিকূল পরিস্থিতি এলেও তিনি লড়াই ছাড়বেন না। স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দলের রাজ্য সংগঠনের হাল তিনিই ধরবেন।
আরও খবর

এখন বেশি কথা বলি না, নীরবতাই ভালো’— ফেসবুক লাইভে দল ছাড়া নেতাদের উদ্দেশে বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর (Mamata Banerjee)
দলের প্রতীক হাতছাড়া হওয়া নিয়ে যে জল্পনা চলছে, সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। মমতা বলেন, “প্রতীক যদি চলেও যায়, তাতে কিছু যায় আসে না। রাস্তায় বেরোলে আমার কণ্ঠরোধ করতে পারবেন না। গলায় সিম্বল ঝুলিয়ে বাড়ি বাড়ি যাব। নতুন করে দল গড়ে তুলব।”

কালীঘাটে দলীয় ভাঙন, একের পর এক নেতার অন্য শিবিরে যোগদান এবং প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে একদিকে যেমন দল ছেড়ে যাওয়া নেতাদের প্রতি আক্ষেপ ফুটে উঠেছে, তেমনই সংগঠনকে নতুন করে গড়ে তোলার বার্তাও স্পষ্ট। উল্লেখ্য, রাজ্য সভাপতির পদত্যাগের পর মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক করেছেন মমতা।


