Bengal Liberty : ভাঙড়ের মানুষ দেখেছে বিস্ফোরণের ঘটনা। দেখেছে তৃণমূল সরকারের অকথ্য অত্যাচার। খুন, জখম, রাহাজানি। রক্তের লালে পরিচিত ভাঙড়ের নাম শুনলেই আঁতকে উঠতেন সাধারণ মানুষ। তবে কালের পরিবর্তন হয়েছে। বিধায়ক হয়েছেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। শ্রীঘরে তৃণমূলের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লা। এই পরিবর্তনে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্ত। খুশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন বিধানসভায় তিনি বলেন, নওশাদ ভাঙড়ে আসার পর লোকজন সুস্থ সবল ভাবে ভাঙড় যেতে পারছেন। এমনকি তিনি বিধানসভার একমাত্র আইএসএফ নেতার প্রশংসা করে বলেন, তাঁর অ্যাটেনডেন্স বিধানসভায় একটু বেশি (Naushad Siddiqui)।

নওশাদের উপর অত্যাচার তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীর! (Naushad Siddiqui)
মুখ্যমন্ত্রীর প্রসংশিত নওশাদের যাত্রাপথটা অনেকটাই প্রতিকূল ছিল। একাধিকবার আক্রমণের মুখে পড়েছেন তিনি। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন। তারপরই ছাব্বিশে বিধানসভায় আসতে পেরেছেন। হামলা হয়েছে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও। ভেঙে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাঁচ। অভিযোগ ছিল তৃণমূলের দিকেই। তবে সব থেকে উল্লেখযোগ্য ছিল ২০২৩ সালটা। তৎকালীন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁর গাড়ির উপর এই হামলা চালানো হয়। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল। সেই দিনই শপথ নিয়েছিলেন, ছাব্বিশের ভোট পর্যন্ত এই ভাঙা গাড়ি তিনি রেখে দেবেন। সারাবেন না। তেমনই হল। ছাব্বিশর নির্বাচনে জিতে শপথ গ্রহণের দিন ভাঙা সেই গাড়ি নিয়েই বিধানসভায় হাজির হয়েছিলেন আইএসএফ বিধায়ক। তারপর একাধিকবার প্রশংসিত এই বিধায়ক।

আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/07/25/suvendu-adhikari-89/


