Taliban seize power in Afghanistan
Bengal Liberty: ভরা স্টেডিয়ামে ফের হত্যা! দর্শক সংখ্যাও প্রায় ৮০ হাজার। ফের সর্বসম্মুখে খুনের আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিল তালিবান।
আফগানিস্তানে ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবান শাসনে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড খুবই স্বাভাবিক বিষয় হয়ে উঠেছিল। ২০২১ সালে তালিবান ক্ষমতা পুনর্দখলের পরে এমন ঘটনা ছিল বিরল। পুনরায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে দেখা গেল। ভরা স্টেডিয়ামে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল এক আসামিকে। দ্বিতীয় বার আফগানিস্তানে তালিবান সরকার গঠনের পর থেকে এই নিয়ে ১১ বার প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা ঘটল।
গত মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশে। জানা গেছে, এক পরিবারের এক মহিলা এবং ন’জন শিশু সহ ১৩ জনকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল ওই আসামির বিরুদ্ধে। এ বার সেই পরিবারেরই এক সদস্য গুলি করে হত্যা করল আসামিকে। আর তা দেখতে ভিড় জমালেন প্রায় ৮০ হাজার আফগান জনতা। ফের এক বার উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী। উদ্বিগ্ন রাষ্ট্রপুঞ্জও।
আফগানিস্তানের কোর্টের রায় (Taliban seize power in Afghanistan)
আফগানিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, নিম্ন আদালত এবং আপিল আদালত— উভয় জায়গা থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই আদেশই বহাল রাখে। তার পরে তালিবানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজ়াদার অনুমোদন নিয়ে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মঙ্গলবার খোস্ত প্রদেশে প্রকাশ্যে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এই মৃত্যুদণ্ড দেখার জন্য স্টেডিয়ামে ভিড় করেছিল ৮০ হাজার আফগান জনতা। খোস্ত প্রদেশের পুলিশের এক মুখপাত্র মুস্তাগফির গোরবাজ় জানান, ওই পরিবারেরই এক আত্মীয়কে দিয়ে গুলি করানো হয় আসামিকে।
মঙ্গলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট এক বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, এমন শাস্তি অমানবিক, নিষ্ঠুর এবং অস্বাভাবিক; যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বেনেট বলেন, এই ধরনের সাজা কার্যকর বন্ধ হওয়া উচিত।
