Bengal Liberty
বাবাকে(Lionel Messi Father) হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি। আর এই কঠিন সময়ে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন আর্জেন্টিনার সতীর্থ রদ্রিগো দে পল। মেসির বাবার মৃত্যুর পরই মাঠে নেমে বিশেষ শ্রদ্ধা জানালেন দে পল। গোল করে জার্সি খুলতেই সামনে এল মেসির ১০ নম্বর জার্সি। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সেই আবেগঘন ভিডিও।

বন্ধুকে হারিয়েছেন মেসি(Lionel Messi Father)
৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন মেসির বাবা জর্জ মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। মেসির ফুটবলজীবনে বাবার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছোটবেলা থেকেই ছেলের পাশে থেকেছেন জর্জ এবং পরবর্তীতে মেসির এজেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। এই খবরের পর থেকেই ফুটবল দুনিয়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বিভিন্ন ক্লাব ও ফুটবল সংস্থা মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
গোল করে বন্ধুকে শ্রদ্ধা দে পলের(Lionel Messi Father)
এরপরই মেসির জন্য আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি করেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল। ইন্টার মায়ামির হয়ে মন্টেরের বিরুদ্ধে ম্যাচে দুর্দান্ত গোল করেন তিনি। গোলের পর নিজের জার্সি তুলে ধরতেই দেখা যায় ভিতরে পরা রয়েছে মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। মাঠে দাঁড়িয়ে সেই জার্সি দেখিয়ে মেসির উদ্দেশে নিজের বার্তা স্পষ্ট করে দেন দে পল। বন্ধুর কঠিন সময়ে তাঁর পাশে রয়েছেন—এই বার্তাই যেন পৌঁছে যায় গোটা ফুটবল বিশ্বের কাছে।
আরও খবর

ভাইরাল ভিডিও(Lionel Messi Father)
গোলের পর দে পলের এই উদযাপনের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই আবেগে ভাসতে শুরু করেন মেসিভক্তরা। কেউ বলছেন, এটাই প্রকৃত বন্ধুত্ব। আবার কেউ মনে করছেন, মেসির প্রতি দে পলের এই শ্রদ্ধা তাঁদের বহু বছরের সম্পর্ককে আরও একবার সামনে এনে দিল। মেসির ‘বডিগার্ড’ হিসেবে পরিচিত দে পল অতীতেও একাধিকবার মাঠে ও মাঠের বাইরে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়েছেন। মেসির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব কতটা গভীর, তা নিয়েও বহুবার প্রকাশ্যে কথা বলেছেন দে পল।
বার্সেলোনার শ্রদ্ধাঞ্জলি(Lionel Messi Father)
এফসি বার্সেলোনা ও লিওনেল মেসির সম্পর্কের কথা সারা বিশ্ব জানে সেই এফসি বার্সেলোনা মেসির বাবা কে চমকপদ শ্রদ্ধাঞ্জলির মধ্যে দিয়েই সবার মন জয় করেছে।একদিকে বাবাকে হারানোর শোক, অন্যদিকে প্রিয় বন্ধুর এমন শ্রদ্ধা—সব মিলিয়ে মেসির জীবনের অত্যন্ত কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ালেন দে পল। আর সেই মুহূর্তের ভিডিওই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটবল যে শুধু ৯০ মিনিটের খেলা নয়, বন্ধুত্ব, আবেগ আর সম্পর্কেরও গল্প—দে পলের এই বিশেষ উদযাপন যেন আরও একবার সেটাই প্রমাণ করল।



