Bengal Liberty : ফের বিতর্কে ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের প্রশাসন। স্বাধীনতা দিবসে তেরঙ্গা যাত্রা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে অনশনরত ছাত্রনেতা দেবেন্দ্র মাহাতোর সঙ্গে পুলিশের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে (Devendra Nath Mahto)। দেবেন্দ্রর অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতাল থেকে বেরোতে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি মারধর করে টেনেহিঁচড়ে ফের বিছানায় নিয়ে যায় পুলিশ। যদিও পুলিশের দাবি, তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি (Devendra Nath Mahto)।

১৪ দিন ধরে অনশন (Devendra Nath Mahto)
প্রশ্নফাঁস এবং নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে গত ১৪ দিন ধরে অনশনে রয়েছেন দেবেন্দ্র মাহাতো। প্রথম কয়েক দিন নির্জলা উপবাসে ছিলেন তিনি। পরে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনুরোধে জল গ্রহণ করেন। তবে তাঁর অনশন এখনও চলছে। পড়ুয়াদের বিধানসভা ঘেরাও অভিযানের পর থেকেই রাঁচির সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অনেকে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের ‘সোনম ওয়াংচুক’ বলেও অভিহিত করছেন। স্বাধীনতা দিবসে অনশনরত অবস্থাতেই সমর্থকদের নিয়ে তেরঙ্গা যাত্রা করার পরিকল্পনা ছিল দেবেন্দ্রর। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলনেরও ইচ্ছা ছিল তাঁর। কিন্তু প্রশাসনের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

‘এ কেমন স্বাধীনতা?’ প্রশ্ন দেবেন্দ্রর (Devendra Nath Mahto)
অনুমতি না থাকলেও হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তেরঙ্গা যাত্রায় যোগ দিতে চান দেবেন্দ্র। অভিযোগ, সেই সময়ই পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হাতাহাতিও হয় বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত জোর করে তাঁকে টেনে হাসপাতালের বিছানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে দাবি দেবেন্দ্রর। ঘটনার পর হাসপাতালের ঘরের বাইরে ধর্নায় বসেছেন ওই ছাত্রনেতা। তাঁর দাবি, যতক্ষণ না তাঁকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি ধর্না চালিয়ে যাবেন। তাঁর আরও অভিযোগ, পুলিশের ধাক্কাধাক্কিতে বুকে আঘাত লেগেছে। তাঁর সঙ্গীদেরও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও খবর

সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দেবেন্দ্র প্রশ্ন তুলেছেন, “এ কেমন স্বাধীনতা? আমাকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনেরও অনুমতি দেওয়া হল না।” তাঁর বক্তব্য, ১৪ দিন অনশনের পরও নিজের অধিকারের দাবিতে তিনি দৃঢ় রয়েছেন। তাঁকে এভাবে আটকে রাখা যাবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
https://bengalliberty.com/2026/08/15/omar-abdulla/


