Bengal Liberty: রাজ্যজুড়ে একের পর এক হিংসার ঘটনা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার অভিযোগে সোচ্চার হলো কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, দলের একটি প্রতিনিধি দল সোমবারে ভবানী ভবনে গিয়ে রাজ্য পুলিশের সদর দফতরে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। নদীয়া, বাঁকুড়া এবং বীরভূমের সাম্প্রতিক তিনটি নৃশংস ঘটনার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।

স্মারকলিপিতে যে প্রধান ঘটনাগুলির উল্লেখ রয়েছে: (Congress delegation)
নদীয়ার বেথুয়াডহরি জোড়া খুন: গত ১৫ আগস্ট রাতে নাকশিপাড়া থানার অন্তর্গত এলাকায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে বাবা আনিসুর রহমান ও ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। মূল অভিযুক্ত জেলবন্দি থাকলেও তার দলবল ও গাড়ির মাধ্যমে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
বাঁকুড়ার ইন্দাসে গণপ্রহার ও মৃত্যু: গত ১৩ আগস্ট ইন্দাসের কারিশুন্ডা গ্রামে শেখ আব্দুল হাফিজের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁর বয়স্ক বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকেও মারধর করা হয়। চিকিৎসায় বাধা দেওয়ার কারণে গত ১৫ আগস্ট বর্ধমান মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আরও খবর
বীরভূমের রামপুরহাটে প্রাক্তন মন্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু: গত ১৬ আগস্ট বীরভূমের রামপুরহাটে নিজের বাড়ির কাছের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয় প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা ড. আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ। ঘটনার নেপথ্যে মানসিক চাপ ও প্রশাসনিক হয়রানির অভিযোগ তুলেছে দল।

কংগ্রেসের মূল দাবিগুলি কী কী? (Congress delegation)
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নির্দেশে জমা দেওয়া এই ডেপুটেশনে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই অবিলম্বে এই সমস্ত চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের অপরাধ দমন শাখা (CID) বা বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর হাতে তুলে দিতে হবে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত গাফিলতি থাকা পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।ভুক্তভোগী পরিবার এবং মূল সাক্ষী ও অভিযোগকারীদের পর্যাপ্ত পুলিশি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ
https://bengalliberty.com/2026/08/17/cyber-fraud-gang/


