Soumen Mahapatra
Soumen Mahapatra

Soumen Mahapatra : শিশিরের দ্বারে তৃণমূল নেতা সৌমেন! বিজেপি-যাত্রার পথ মসৃণ হল?

Bengal Liberty : প্রায় দেড় মাস আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ড. সৌমেন মহাপাত্র (Soumen Mahapatra)। এবার মুখ্যমন্ত্রীর পিতা শিশির অধিকারীর দ্বারে গিয়ে উপস্থিত হলেন বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে তিনি শিশির অধিকারীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। শিশিরবাবু তাঁর মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদও করেন। তিনি অবশ্য এই সাক্ষাৎকে সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক বলেই ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর কথায় প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে তিনি কোনও না কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামী বাড়িতে উপস্থিত হয়ে আর্শীবাদ নেন। তাই এটা সৌজন্য মুলক সাক্ষাৎ। পাশপাশি, গত এক বছর ধরে তৃনমূল দলের সঙ্গে ওনার বা ওনার পরিবারের কোনও সম্পর্ক নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না বলে জানান তিনি। তাহলে কি বিজেপিতে যোগদানের পথ মসৃণ করতেই এই সাক্ষাৎ? জল্পনা রাজনৈতিক মহলে (Soumen Mahapatra)।

Advertisement
Advertisement

সরাসরি বিজেপিতে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন সৌমেন মহাপাত্র (Soumen Mahapatra)

দেড় মাস আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেতা জানিয়েছিলেন, তৃণমূলে ভাঙন অবশ্যম্ভাবী। তাঁর অভিযোগ ছিল, তৃণমূল কার্যত ‘কর্পোরেট কালচার’-এ চলছিল। মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ মিলত না বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, দলের কাজ করিয়ে নেওয়ার পর আচমকাই কোনও নেতাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়াই একসময় কার্যত রীতিতে পরিণত হয়েছিল। সৌমেনবাবুর কথায়, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, ইচ্ছা না থাকলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘সেনাপতি’র মর্যাদা দিতে হত। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতির কারণেই শুভেন্দু অধিকারী শেষ পর্যন্ত দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। শুধু দলীয় রাজনীতি নয়, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর কাজেরও প্রশংসা করেছিলেন সৌমেনবাবু। তাঁর দাবি, অজয় মুখোপাধ্যায়ের পর কার্যক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বাংলায় ‘বিপ্লব’ এনেছেন।

Advertisement
Advertisement

এরই মধ্যে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশও করেছিলেন এই তৃণমূল নেতা। তাঁর বক্তব্য ছিল, বিজেপি চাইলে তিনি সাধারণ কর্মী হিসেবেও কাজ করতে প্রস্তুত। তবে সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারীর উপর নির্ভর করছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন :

https://bengalliberty.com/2026/08/19/diamond-harbour-cag/

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury