Bengal Liberty
পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পথে আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্র (Suvendu Adhikari)। খড়গপুর থেকে ওড়িশার ভদ্রক (রানিতাল) পর্যন্ত প্রায় ১৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ চতুর্থ রেললাইন তৈরির প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার থাকায় উন্নয়নের একাধিক কাজ এগোচ্ছে। শিল্প থেকে সামাজিক প্রকল্প, মেট্রো থেকে লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় খড়গপুর-ভদ্রক চতুর্থ রেললাইন প্রকল্পও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন ঘটছে।
.
I convey my sincere gratitude to the Union Cabinet chaired by the Hon’ble Prime Minister Shri @narendramodi Ji for approving the crucial Kharagpur–Bhadrak (Ranital) 4th Railway Line project.
Spanning 173 km across West Bengal and Odisha, this major multi-tracking initiative will…আরও খবর
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) August 20, 2026
কমবে খড়গপুর রুটের চাপ Suvendu Adhikari
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা জুড়ে ১৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্প আঞ্চলিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে ইস্টার্ন কোস্টাল করিডরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ আরও শক্তিশালী হবে। খড়গপুর রুট দেশের অন্যতম ব্যস্ত রেলপথ। এই রুটে অতিরিক্ত একটি লাইন তৈরি হলে রেলপথের উপর চাপ কমার পাশাপাশি ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা বাড়বে। ফলে যাত্রীবাহী ট্রেনের পরিষেবা আরও দ্রুত, মসৃণ এবং সময়ানুবর্তী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ব্যস্ত করিডরে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকার সমস্যা এবং রেলপথে যানজটও কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
পণ্য পরিবহণে বড় সুবিধা
এই প্রকল্পের সুফল শুধু যাত্রী পরিবহণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়বে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। ইস্পাত, কয়লা, লৌহ আকরিক, সিমেন্ট, অটোমোবাইল, কনটেনার এবং খাদ্যশস্যের মতো বিভিন্ন পণ্য দ্রুত ও বেশি পরিমাণে পরিবহণের সুযোগ তৈরি হবে। উন্নত রেল যোগাযোগের ফলে স্থানীয় শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা MSME এবং বন্দরগুলিও উপকৃত হবে। কাঁচামাল পরিবহণ এবং তৈরি পণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর ক্ষেত্রে সময় ও খরচ কমতে পারে। ফলে পূর্বাঞ্চলে শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসারেও গতি আসবে বলে আশাবাদী শুভেন্দু।
পরিকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থে রেল পরিকাঠামো শক্তিশালী করার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো উচিত। দ্রুত এবং নির্বিঘ্নে খড়গপুর-ভদ্রক চতুর্থ রেললাইন প্রকল্পের বাস্তবায়ন চান তিনি।


