Bengal Liberty : এসআইআর প্রক্রিয়া, ভোটাধিকার এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ফের সরব কংগ্রেস। রাজধানী দিল্লিতে সিজেপি-এর প্রতিবাদ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে সরকার। সেই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। তাঁর অভিযোগ, সংবিধানস্বীকৃত ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বিগ্ন যুবসমাজের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্ব বিচলিত। একই সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন তিনি। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডলে জয়রাম রমেশের এই বক্তব্য পোস্ট করেছেন।

SIR স্থগিতের দাবি কংগ্রেস নেতার
জয়রাম রমেশের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে দেশের রাজধানীকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন রয়েছেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁর দাবি, ভোটাধিকার নিয়ে যুবসমাজের উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিবর্তে নিরাপত্তা জোরদার করে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা হচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা। তাঁর অভিযোগ, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সংসদে বিরোধী দলের ১৪৫ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করার পর একটি আইন জোর করে পাশ করানো হয়েছিল। সেই আইনের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আজীবন আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। জয়রাম রমেশের অভিযোগ, নিয়োগের সময় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে চলেছেন জ্ঞানেশ কুমার।
আরও খবর
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি কংগ্রেস নেতার
এমনকী, সুপ্রিম কোর্টে মিথ্যা বলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ নৈতিকভাবে অপরিহার্য বলে দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা। জয়রাম রমেশের মতে, শুধু পদত্যাগের দাবিতে থেমে থাকলে চলবে না। দেশের গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি পুনরুদ্ধার করাও জরুরি। তাঁর বক্তব্য, দেশের সমস্ত মানুষের, বিশেষ করে যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এসআইআর প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করারও দাবি জানিয়েছেন তিনি। কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার জেরে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৪ কোটি ভারতীয় ভোটাধিকার হারিয়েছেন। নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এসআইআর স্থগিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।


