Bengal Liberty: যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে শহরজুড়ে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে দিল্লিকে। বিক্ষোভের আগেই রাতভর অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রায় ১ হাজার জনকে। ড্রোন দিয়ে চলছে কড়া নজরদারি। কিন্তু কোনও বাধাই তারা মানবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ‘আরশোলা’ নেতা অভিজিৎ দীপকে এবং অন্যন্যরা। সূত্রের খবর, যন্তর মন্তরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জমায়েত।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ‘আরশোলা’রা। শনিবার শহরজুড়ে প্রায় ২৫ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জনপথ-কর্তব্যপথ ক্রসিংয়ের চার কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে সব এলাকাতেই ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা।
‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’র ১৬৩ ধারা বলবৎ
ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে করা তাঁদের আবেদনে সদর্থক সাড়া মিলেছে। সাময়িকভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১০ অক্টোবর রাত দশটা পর্যন্ত ওই পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকা। একই দৃশ্য হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনেও। ফলে অন্যান্য বহু ট্রেনের মতোই বাতিল হয়েছে কলকাতা থেকে দিল্লিগামী জোড়া রাজধানী এক্সপ্রেস।
আরও খবর
দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই যন্তর মন্তরে কর্মসূচি করছে ‘ককরোচ’রা। তাই পরিস্থিতি যাতে নাগালের বাইরে না যায় বা কোনও বিশৃঙ্খলা এড়াতে পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। মধ্য দিল্লির বহু এলাকায় ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’র ১৬৩ ধারা বলবৎ রয়েছে। পুলিশ সতর্ক করে দিয়েছে, এই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে বার্তা দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, ‘তারা যদি আমাকে আটক বা গ্রেফতার করতে চায়, করুক। আমি তার জন্য প্রস্তুত। আমাকে গ্রেফতার করুক বা আটক করুক, তাতে আমার কিছু যায়-আসে না।’ তাঁর কথায়, “একদিকে আপনারা বলছেন, বিক্ষোভের ফলে ভোগান্তি হবে। অন্যদিকে, আপনারা মেট্রো ও রেল পরিষেবা বন্ধ রেখেছেন, রাস্তা অবরোধ করেছেন। এর ফলে কি ভোগান্তি হবে না?”
এদিনের বিক্ষোভে যাতে কোনওরকম সহিংসতার প্রকাশ না পায় তা নিশ্চিত করতেই এই সতর্কতা বলে সূত্রের দাবি।


