Bengal Liberty : আরজি কর কাণ্ডে ফের গ্রেফতারি। চিকিৎসক তরুণীর দেহ দ্রুত দাহ এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে এবার পুলিশের জালে পানিহাটি পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান সোমনাথ দে (R G Kar)। ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এই গ্রেফতারির ফলে আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের (R G Kar)।

বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার সোমনাথ (R G Kar)
আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীর নৃশংস খুনের ঘটনায় দেহ দ্রুত দাহ এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছিল খড়দহ থানার পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই এর আগে ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখার্জিকেও। তাঁদের গ্রেফতারির পর থেকেই পলাতক ছিলেন পানিহাটি পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান সোমনাথ দে। তদন্তকারীদের নজরে থাকা সোমনাথের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। অবশেষে বেঙ্গালুরুতে তাঁর অবস্থান জানতে পেরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবারই তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

দেহ দ্রুত দাহে কী ভূমিকা? খতিয়ে দেখছে পুলিশ (R G Kar)
তদন্তকারীদের দাবি, চিকিৎসক তরুণীর দেহ পরিবারের সম্মতি ছাড়াই দ্রুত দাহ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে শ্মশানের রিকুইজিশন থেকে। সেই নথিতে সোমনাথ দে-র নাম পাওয়া গিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এরপরই দেহ দ্রুত দাহ এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। যদিও আরজি কর মামলার মূল তদন্তভার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে রয়েছে, নির্যাতিতার বাবার করা নতুন অভিযোগের ভিত্তিতে পৃথক ভাবে তদন্ত শুরু করে খড়দহ থানার পুলিশ। সেই তদন্তেই একে একে উঠে এসেছে পানিহাটির প্রাক্তন জনপ্রতিনিধিদের নাম।
আরও খবর

নতুন করে দায়ের হওয়া মামলায় ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখার্জি। তবে সোমনাথ দে দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। এবার বেঙ্গালুরু থেকে তাঁর গ্রেফতারির পর দেহ দ্রুত দাহ এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় তাঁর ঠিক কী ভূমিকা ছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তাঁর জিজ্ঞাসাবাদে এই ঘটনায় আরও কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা নতুন নাম সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/09/03/camac-street-4/


