অমিত শাহ
অমিত শাহ

‘কংগ্রেসের পরাজয়ের কারণ রাহুল!’ SIR বিতর্কের মাঝেই কংগ্রেসের হারের খতিয়ান প্রকাশ্যে আনলেন অমিত শাহ

রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে শাহ বলেন, “যবে থেকে রাহুল কংগ্রেসের মুখ হয়েছেন, তবে থেকেই দেশের একাধিক জায়গায় কংগ্রেস নির্বাচনে হারতে শুরু করেছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও চতুর্থবারের জন্য পরাজয়ের প্রস্তুতি নিন।”

গুজরাটের পুরনিগম নির্বাচনের ফলাফল তুলে ধরে শাহ জানান, ১০৪টি আসনের মধ্যে ৯০টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গান্ধীনগর পুরসভার ৪৪টি আসনের মধ্যে ৩৮টিতে জিতেছে বিজেপি। শাহের দাবি, গত নির্বাচনের তুলনায় সেখানে বিজেপির ভোটের হারও ১০ শতাংশ বেড়েছে। এই ফলাফলকে গুজরাটে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তার প্রতিফলন বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি।

সাম্প্রতিক উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে শাহের দাবি, অসমের নগাঁওয়ে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রামে ১ লক্ষ ২২ হাজার এবং রেজিনগরে ৭৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন বলেও জানান তিনি। পুদুচেরিতে এনডিএ-র শরিক এআইএনআরসি-র প্রার্থী ৮,৪৮২ ভোটে জিতেছেন বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রাজস্থানের স্থানীয় নির্বাচনে পুরনিগমের ৯০ শতাংশ, পুর পরিষদের ৬৬ শতাংশ এবং পুরসভার ৬৫ শতাংশ আসন দখলের দাবি করেন শাহ। ত্রিপুরার গ্রাম কমিটির নির্বাচনে বিজেপি-এনডিএ চার হাজারেরও বেশি আসনে জিতেছে বলেও জানান তিনি।

SIR নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানের সমালোচনা করে শাহ বলেন, “SIR-এর অজুহাতে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর যে কৌশল রাহুল গান্ধী নিয়েছেন, তা দেশের মানুষ বুঝে গিয়েছেন। এখন আর ভারতবাসী আপনাদের ফাঁদে পা দেবেন না।”

ইভিএমে ভোটগ্রহণ নিয়ে রাহুল গান্ধীর তোলা প্রশ্নের জবাবে শাহের দাবি, ব্যালট পেপারে ভোট হওয়া সত্ত্বেও ত্রিপুরায় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল তুলে ধরে কংগ্রেসকে আত্মসমীক্ষার পরামর্শ দেন তিনি। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরবে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Bengal Liberty