নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন কমিশন

বিরোধীদের চাপে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

রাহুল গান্ধী তথা বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন নির্বাচন কমিশন ‘চুরি’ লুকোতে রাজনৈতিক দলগুলির হাতে মেশিন রিডেবল ভোটার তালিকা দিচ্ছে না। যে তালিকা নির্বাচন কমিশন দেয় সেটা পিডিএফের ‘ইমেজ’ ফরম্যাট। অর্থাৎ ওই ভোটার তালিকায় কারও নাম সার্চ করা যায় না। এমনকী, কোনও নির্দিষ্ট তথ্য আলাদা করে সার্চ করা যায় না। শুধু তাই নয়, লেখা কপি বা পেস্ট করা যায় না। ফলে কোনও তথ্য খুঁজতে হাজার হাজার মানুষের মধ্যে খড়ের গাদায় সুচ খোঁজার মতো পরিস্থিতি হয়। এর ফলে কারণে ভোটার তালিকা নিয়ে জালিয়াতি ধরা কঠিন হয়। নির্বাচন কমিশনের এই ইউ-টার্নকে দেশের বিরোধী শিবির তাদের আন্দোলনের একটি বিরাট বড় জয় হিসেবে দেখছে।

এই নিয়ে ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীরা দাবি করেছিলেন সব রাজনৈতিক দলকে মেশিন রিডেবল ভোটার লিস্ট দিতে হবে। কিন্তু সেসময় কমিশন যুক্তি দেয়, ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপত্তার জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকে ওই ধরনের ভোটার তালিকা দেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত বদল সম্ভব নয়। কিন্তু এখন বিরোধীদের বিক্ষোভের আবহে শেষমেশ সেই সিদ্ধান্তে বদল করলেন জ্ঞানেশ কুমাররা। সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার থেকে সব রাজনৈতিক দলকে মেশিন রিডেবল ভোটার তালিকা দেওয়া হবে।

তাতে ভোটার তালিকা থেকে তাঁরা সার্চ করে ইচ্ছামতো তথ্য বের করতে পারবেন।

Bengal Liberty