অভিজিৎ দীপকে
অভিজিৎ দীপকে

‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পুলিশ! কারণ কী?

শুক্রবার বিকেল ৫টায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচি হওয়ার কথা। আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসদের গ্রেফতারির প্রতিবাদেই এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন অভিজিৎ। কিন্তু তার আগেই তাঁর বাড়ির সামনে পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এক পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন দীপকে। তাঁর দাবি, কর্মসূচি বাতিল করতে বলা হচ্ছে তাঁকে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সোফায় বসে ওই পুলিশ আধিকারিককে প্রশ্ন করছেন তিনি। জানতে চাইছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

উল্টোদিকে বসে থাকা পুলিশকর্মীর একগুচ্ছ কাগজপত্র দেখিয়ে বলেন, “আপনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উসকানি দিচ্ছেন, যা বেআইনি।” নোটিসের বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানিয়ে পালটা সরব হন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এগুলি কী ধরনের আজব অভিযোগ? এটা কোনও নোটিস হতে পারে? আপনারা যা ইচ্ছে লিখে এনে হাজির করছেন।” এরপরই ক্ষোভ উগরে দিয়ে দীপকে বলেন, “এসব না করে আপনারা আমায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন।”

সিজেপির ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল দিল্লির একটি ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের দাবি, এই কর্মসূচির জেরে ব্যবসায়ীদের জীবিকা ও স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে। সেই কারণে কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারির আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে মামলায় হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়েছে, “আমরা আশা করছি, শুভবুদ্ধির জয় হবে।”

উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবারই ককরোচ জনতা পার্টিকে সতর্ক করেছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কনট প্লেস চত্বরে চার বা তার বেশি ব্যক্তি জমায়েত করলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা অনুযায়ী এই বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তবে শুক্রবার দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ১১ জনকে জাতীয় পতাকা নিয়ে কনট প্লেসে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই অনুমতিপ্রাপ্তদের তালিকায় অভিজিৎ দীপকের নাম নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁর বাড়িতে পুলিশের অভিযান ঘিরে তাই কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

Bengal Liberty