Bengal Liberty: শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে সিজেপি-র ‘তিরঙ্গা’ মিছিলকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। এই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সর্বাধিক ১১ জনের একটি দলকে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কিন্তু শুক্রবার মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছে যায় পুলিশ। কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে তাঁকে একটি নোটিস ধরানো হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আনেন অভিজিৎ। তবে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার বিকেলে জাতীয় পতাকা হাতে আন্দোলনে যোগ দেন তিনি। এর পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন অভিজিৎ দীপক।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “দিল্লি পুলিশ কী করছে? জাতীয় পতাকা হাতে রাখার জন্য অভিজিৎ দীপককে আটক করা হয়েছে। একবার ভাবুন! স্বাধীন ভারতে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমাদের দেশের তরুণদের আটক করা হচ্ছে।”
এর পরেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে মমতা লেখেন, “এটি কার্যত এক অঘোষিত জরুরি অবস্থারই শামিল। যে সরকার ভিন্নমতকে ভয় পায়, তারা এখন গোটা প্রজন্মকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।”
আরও খবর
অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “তোমরা ভারতের যুবসমাজের সাহস, বিবেক এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তোমাদের কণ্ঠস্বর দমন করে গোটা প্রজন্মকে চুপ করিয়ে দেওয়া যায় না। তোমাদের দিদি দৃঢ়ভাবে পাশে রয়েছেন।”
শেষে গণতন্ত্র ও ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করে মমতা লেখেন, “জেগে ওঠো ভারত! গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের লড়াই চলবে।”
উল্লেখ্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সিজেপি। সেই আবহে তিরঙ্গা মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপককে আটক করার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিল।


