Bengal Liberty : সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মেনে ২০২৭ সালের ৩১ মে-র মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। সেই নির্দেশকে মাথায় রেখেই পুজোর ছুটি মিটতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার তৎপরতা শুরু করেছে স্কুলশিক্ষা দফতর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন। শুক্রবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রবিরঞ্জন সেন জানিয়েছেন, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ইন্টারভিউ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর কথায়, “নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ইন্টারভিউ শুরু করা হতে পারে। পুরনো ইন্টারভিউয়ের সব কিছু অপরিবর্তিত থাকছে।” সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, নভেম্বরের মধ্যেই ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে পর্ষদ ও কমিশন।
প্রাথমিক স্তরে ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের মধ্যে ১৩ হাজার ৪২১ জনকে নিয়োগের জন্য ২০২৫ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে জেলাভিত্তিক ইন্টারভিউ শুরু হয়। প্রথম চারটি পর্যায়ের ইন্টারভিউয়ের পর পঞ্চম থেকে দশম পর্যায়ের সূচিও প্রকাশ করা হয়। কিন্তু নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ায় ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় গতি কমে যায়। নদিয়া জেলায় পঞ্চম পর্যায়ের ইন্টারভিউ শেষ হলেও নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ায় পুরুলিয়ায় ইন্টারভিউ স্থগিত হয়ে যায়। পাশাপাশি, নতুন সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রার্থীদের জাতিগত তথ্য সংশোধনের সুযোগও দেওয়া হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
অন্যদিকে, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও বাকি থাকা ইন্টারভিউ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। সংরক্ষণ বিধি মেনে সংশোধিত তালিকা প্রকাশের পর পরবর্তী ধাপে এগোতে চাইছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
আরও খবর
সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিয়োগ সম্পূর্ণ করতে হলে দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করে পরবর্তী ধাপগুলিও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেই লক্ষ্যেই পুজোর পর নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি প্রশাসনিক মহলের।
এদিকে, চলতি অর্থবর্ষেই এক লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সমস্ত দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজোর আগেই ১১ হাজার রাজ্য পুলিশকর্মী নিয়োগের মাধ্যমে বিজেপির সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের বার্তা দিয়েছেন তিনি। এবার স্কুলশিক্ষা দফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।


