Bengal Liberty: মধ্য বঙ্গের প্রান্ত প্রচারক শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডলের মায়ের প্রয়াণে শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পূর্ব বর্ধমানের পালসিত গ্রামে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সন্ধ্যায় শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সেখানে প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় কাটান মুখ্যমন্ত্রী। পরে রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পালসিত গ্রাম এবং সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ পালসিত গ্রামের শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানাতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। শোকের আবহে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। বাড়িতে থাকার সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তবে তাঁদের মধ্যে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে বুধবার সন্ধ্যা থেকেই পালসিত এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ১১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে পালসিত গ্রামে প্রবেশের রাস্তা পর্যন্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়ির আশপাশেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে রাস্তায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। তাঁর সফর ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য সতর্ক ছিল প্রশাসন।
আরও খবর
উল্লেখ্য, শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়িতে এর কয়েক দিন আগেই গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের অন্যতম মুখ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই সফরের পর এবার সেখানে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডলের মায়ের প্রয়াণের পর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের এই দুই সফর রাজনৈতিক মহলেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির কথা জানা যায়নি। পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই ছিল এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর।
বুধবার সন্ধ্যায় পালসিত গ্রামে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পর নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ৭৫ মিনিটের এই সফর ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল যথেষ্ট। শোকের সময়ে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়ে নিজের গন্তব্যের উদ্দেশে ফিরে যান শুভেন্দু।


