Bengal Liberty : গায়ক-রাজনীতিক ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেফতারির পর তাঁকে ঘিরে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। লালবাজার সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই লেনদেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও আত্মীয়দের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বুধবার বিকেলে ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তার আগে আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও যান ইন্দ্রনীল। কিন্তু মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে তাঁর মামলার শুনানি হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সরে দাঁড়ানোয় মামলাটির শুনানি এগোয়নি। এরপর বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোনোর পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি টাকার জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু ইন্দ্রনীল সেনের অ্যাকাউন্টেই নয়, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে এবং আত্মীয়দের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা জমা পড়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একাধিক ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহার করে টাকা সরানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ।
আরও খবর
এই ঘটনায় বৌবাজার থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর রুজু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এফআইআরে মোট ছ’জনের নাম রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের মেয়ের নাম এফআইআরে নেই বলে জানা গিয়েছে। প্রতারণা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
পাশাপাশি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা মাস আর্টের সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা সমঝোতা ছিল কি না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইন্দ্রনীলকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজির হননি। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।


