নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি
নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি

নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির অভিযোগে হারাল বাজিবাজারের পাঁচ দোকান বন্ধ, বাজেয়াপ্ত বিপুল পরিমাণ চকলেট বোম! কড়া হুঁশিয়ারি পুলিশের

এ দিন অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস, এসডিপিও এবং বারুইপুর থানার আইসি-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। কালীপুজো ও দীপাবলিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই জমে উঠতে শুরু করেছে চম্পাহাটির হারাল বাজিবাজার। সেই বাজারে সরকারি নির্দেশিকা মেনে পরিবেশবান্ধব বাজি বিক্রি হচ্ছে কি না, কোথাও নিষিদ্ধ শব্দবাজি মজুত করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তল্লাশির সময় পাঁচটি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চকলেট বোম-সহ অন্যান্য শব্দবাজি উদ্ধার হয়। এরপরই দোকানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস জানান, নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি বন্ধ করতে এর আগেও ব্যবসায়ীদের একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। চালানো হয়েছে সচেতনতামূলক প্রচারও। তা সত্ত্বেও কিছু ব্যবসায়ী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শব্দবাজি বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ। এই ধরনের বাজি থেকে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ পুলিশ।

বাজি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে অতীশ বলেন, যাঁদের জীবিকা এই ব্যবসার উপর নির্ভরশীল, তাঁরা যেন সরকারি নিয়ম মেনেই ব্যবসা করেন। নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি বন্ধ না হলে প্রয়োজনে গোটা হারাল বাজিবাজার বন্ধ করে দেওয়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।

পুলিশের তরফে হারাল বাজি ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনকেও সতর্ক করা হয়েছে। বাজারে যাতে কোনওভাবেই নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংগঠনকে নিজস্ব নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতা, উভয় পক্ষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে। উৎসবের মরশুমে নিষিদ্ধ শব্দবাজির কারবার বন্ধ করতে আগামী দিনেও নজরদারি ও অভিযান জারি থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

Bengal Liberty