Bengal Liberty: পশ্চিমবঙ্গে আদৌ কি এখন কোনও বিরোধী দলনেতা রয়েছেন? ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদে থাকা নিয়েই এবার প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশে দু’মাসের জন্য অস্থায়ীভাবে বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব পেয়েছিলেন ঋতব্রত। সেই মেয়াদ গত ১৮ অক্টোবর শেষ হয়ে গিয়েছে। অথচ এখনও মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে রাজ্যে বর্তমানে কোনও বিরোধী দলনেতা নেই বলেই দাবি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কাকে বিরোধী দলনেতা বলছেন? কাকে বিরোধী দলনেতা বলছেন? বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে কোনও বিরোধী দলনেতা নেই। এর আগে হাই কোর্টের নির্দেশ এবং ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী দু’মাসের জন্য তাঁকে অস্থায়ীভাবে বিরোধী দলনেতা করা হয়েছিল।”
উল্লেখ্য, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই দড়ি টানাটানি চলছে। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫২ জন বিধায়কের সমর্থন পাওয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি পান। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব।
আরও খবর
গত ১৮ অগস্ট বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, আগামী দু’মাসের মধ্যে হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। তত দিন স্পিকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিরোধী দলনেতার পদে বহাল থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণের দাবি, সেই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার মেয়াদ গত ১৮ অক্টোবর শেষ হয়েছে।
তবে আদালতের নির্দেশে ঋতব্রতকে আপাতত পদে বহাল রাখার বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছিল। মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর অবস্থান নিয়ে আইনি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ফলে বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে বিতর্ক নতুন করে জোরাল হল।


