subhendu adhikari's facebook post
Bengal liberty Desk, ১৮ ডিসেম্বর, কলকাতা: বিতর্ক মানেই তিনি, তাঁর করা কোনও মন্তব্য সামনে আসতেই বিতর্ক হয়েছে বারংবার। তাঁর আচরণের জন্য কখনও সাংসদ এবং বিধায়কের প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে হুগলিতে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল তৃণমূলকে (TMC)। তিনি চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার (Asit Majumdar)।কিছু মাস আগে হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rachana Banerjee) সঙ্গে তাঁর বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। যদিও পরে তা মিটেও যায়। বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল চুঁচুড়ার বাণীমন্দির স্কুলকে ঘিরে। সাংসদ তহবিলের টাকায় সেখানে ছাত্রীদের জন্য একটি স্মার্ট ক্লাসরুম চালু করা নিয়ে স্কুলে গিয়ে ঝামেলা করার অভিযোগ উঠেছিল বিধায়কের বিরুদ্ধে। এমনকি, স্কুলের শিক্ষিকাদের গালিগালাজ করার অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এ বার সেই অসিতকে দিদিমণি’র এক গুণধর ছাত্র বলে আখ্যা দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (subhendu adhikari’s facebook post)।
শুভেন্দুর ভিডিয়ো পোস্ট (subhendu adhikari’s facebook post)
আজ, বৃহস্পতিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ভিডিয়োতে ক্লিক করলে চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারকে (Asit Majumdar) বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘আমাদের লোক দেখাতে হয় না গীতাপাঠ করতে। আমাদের যাঁরা মুসলিম, তাঁরা মসজিদে নামাজ পড়ে। আমাদের যাঁরা খ্রিস্টান তাঁরা গুরুদ্বারে প্রার্থনা করে।’ ভিডিয়ো দেখিয়ে পোস্টে শুভেন্দু সদ্য প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘দিদিমণি’র এক গুণধর ছাত্র; “ক্রিয়ামন্ত্রী” তিনি তো ক্রিয়াঙ্গনে কেলেঙ্কারি তে চাপে পড়ে অব্যাহতি নিয়েছেন। ওনার পদত্যাগপত্র দেখে ওনার শিক্ষার দৌড় দেখেছে বঙ্গবাসী।’
এর পরেই অসিত মজুমদারকে বিঁধে শুভেন্দু লেখেন, ‘দিদিমণি’র আর এক ছাত্র চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারের বিদ্যের নমুনা দেখুন। তোলামূল কোম্পানিতে দিদিমণি’র এমন ছাত্রছাত্রীর ছড়াছড়ি, কাকে ছেড়ে কাকে ধরবেন? তাই সবাই বলে ‘যেমন ঝাড় ঠিক তেমন বাঁশ’
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার খাতায়-কলমে হাতে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্রীড়া দফতরের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। সেই চিঠি সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা যায়, চিঠিতে লেখা ‘ক্রীড়ামন্ত্রী’ ও ‘পরিপ্রেক্ষিতে’ দুটি শব্দের বানান ভুল রয়েছে। ‘ক্রীড়ামন্ত্রী’র বদলে লেখা রয়েছে ‘ক্রিয়ামন্ত্রী’র ও ‘পরিপ্রেক্ষিতে’র বদলে ‘পরিপেক্ষিতে’। এখানেই শেষ নয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন বানান লেখা ছিল ‘ক্রিয়াঞ্জনে’। আর সেই চিঠির ছবি পোস্ট করে লাল কালিতে শব্দ দুটো মার্ক করে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠিও প্রকাশ্যে এনে
পোস্টে বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘যেমন ছাত্র তেমন দিদিমণি! পশ্চিমবঙ্গের এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্য, ‘ক্রিয়ামন্ত্রী ও মূর্খমন্ত্রী উভয়ের কাছেই জনগণ অব্যাহতি চাইছেন (subhendu adhikari’s facebook post)!’

