Rinku Majumdar lofges FIR at cyber crime police station
Bengal Liberty: ফের বিতর্কে বিজেপি (BJP) নেতা দিলীপ ঘোষ(Dilip Ghosh)। অভিযোগ, সমাজমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রীর দাম্পত্য জীবন নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে আপত্তিকর, অসত্য ও মানহানিকর মন্তব্য পোস্ট করা হচ্ছে। এই কুৎসা ও আক্রমণের বিরুদ্ধেই এ বার বিধাননগর পুলিশের সাইবার অপরাধ দমন শাখার (Cyber Crime Cell) দ্বারস্থ হলেন দিলীপ-জায়া রিঙ্কু মজুমদার (Rinku Majumder) ঘোষ।
ভুয়ো পরিচয়ে মানহানির অভিযোগ (Rinku Majumdar)
রিঙ্কু মজুমদার ঘোষের অভিযোগ, ‘অনন্যা চট্টোপাধ্যায়’ এবং ‘ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী’ নামে দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাঁদের বিবাহিত জীবন নিয়ে কুৎসা রটানো হচ্ছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই এই ধরনের পোস্ট করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের পাশাপাশি মানহানি, জনসমক্ষে আপত্তিকর মন্তব্য এবং পরিচয় গোপন রেখে হুমকি দেওয়ার মতো ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ দিন ধরে চলছিল কটাক্ষ (Rinku Majumdar)
বিয়ের পর থেকেই দিলীপ-রিঙ্কু নানা মহলে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন। যদিও এত দিন সে সব এড়িয়ে গিয়েছিলেন দু’জনেই। সম্প্রতি বেড়াতেও গিয়েছিলেন তাঁরা। তবে লাগাতার কুৎসা ও কটাক্ষে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন রিঙ্কু। শেষ পর্যন্ত আইনি পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন দম্পতি।
দিলীপ ঘোষের বক্তব্য (Rinku Majumdar)
বিষয়টি নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন,
“অনেক দিন ধরেই এ ধরনের কুৎসা চলছিল। বেশ কয়েক মাস ধরে সমাজমাধ্যমে এই সব লেখা হচ্ছে। আমি সেখানে খুব একটা সক্রিয় নই, তাই আমার নজরে আসেনি। কিন্তু আমার স্ত্রী বিষয়টি দেখে অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর অনুরোধেই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।” দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কড়া পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
বিয়ের পর থেকেই বিতর্ক (Rinku Majumdar)
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ এপ্রিল নিউটাউনে ঘরোয়া ও অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে রিঙ্কু মজুমদার ঘোষকে বিয়ে করেন দিলীপ ঘোষ। তার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে তাঁরা সমালোচনা ও আক্রমণের মুখে পড়েছেন। গত মে মাসে রিঙ্কুর একমাত্র পুত্র সৃঞ্জয় দাশগুপ্তের মৃত্যুর পরও সমাজমাধ্যমে তাঁদের নিয়ে একাধিক আপত্তিকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। এ বার সেই সব কুৎসা ও মানহানির বিরুদ্ধেই সরব হলেন রিঙ্কু (Rinku Majumder) ।
