Bengal Liberty : কালীপুজোর আগে খাস কলকাতায় বেআইনি বাজির মজুত ঘিরে চাঞ্চল্য। বড়বাজার থানা এলাকার এনএস রোডের একটি পরিত্যক্ত আবাসন থেকে প্রায় ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনায় মহম্মদ তৌফিক নামে ১৯ বছরের এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কীভাবে ওই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি পরিত্যক্ত বাড়িতে মজুত করা হয়েছিল, এর নেপথ্যে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উৎসবের মরশুমে জনবহুল এলাকায় এভাবে বেআইনি বাজি মজুত রাখার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পরিত্যক্ত আবাসনে অভিযান
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বড়বাজার থানা এলাকার এনএস রোডের একটি পরিত্যক্ত আবাসনে বেআইনিভাবে আতশবাজি মজুত রাখার খবর পান পুলিশকর্মীরা। খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চালিয়ে কার্টনবন্দি অবস্থায় প্রায় ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেন তাঁরা। এরপর সমস্ত বাজি নিয়ম মেনে বাজেয়াপ্ত করা হয়। এই ঘটনায় বড়বাজার থানার এসআই উত্তম কুমার হালদারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই মহম্মদ তৌফিক নামে ১৯ বছরের ওই তরুণকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, কোনও সরকারি লাইসেন্স বা অনুমতি ছাড়াই লোকালয়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি মজুত করা হয়েছিল। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতে পারত বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
বাজি কোথা থেকে এল, নেপথ্যে বড় চক্র?
ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারা এবং বিস্ফোরক পদার্থ সংক্রান্ত আইনের আওতায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে ওই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কার নির্দেশে সেগুলি পরিত্যক্ত আবাসনে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে বড়বাজার থানার পুলিশ। কালীপুজোর আগে শহরে নিষিদ্ধ বাজির বেআইনি মজুত ও বিক্রি রুখতে এই অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ঘটনার পিছনে কোনও বড়সড় অবৈধ বাজি চক্র কাজ করছে কি না। উৎসবের মরশুমে শহরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী দিনেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।


