Bengal Liberty
নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নার্সিং স্টাফ রূপালি বর্মণের মৃত্যুকে ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে (NRS Hospital News)। ঘটনার পর এন্টালি থানায় গিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। থানা থেকে বেরিয়ে তিনি স্বাস্থ্য ভবনের উদ্দেশে রওনা দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা NRS Hospital News
মৃত নার্সিং স্টাফের স্বামী ও দুই ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, রাজ্য সরকার এই ঘটনায় পরিবারকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী নীলরতন সরকার হাসপাতালে নয়, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে রূপালির ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্ত হবে এবং তিনটের মধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত জানান, পরিবারের সদস্যদের তাঁর ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফে নিয়ম মেনে ক্রাইম তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, বিভাগীয় তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং সেই তদন্ত কমিটিতে সাইকিয়াট্রি বিভাগের চিকিৎসকদেরও রাখা হচ্ছে। নার্সিং স্টাফদের বক্তব্যও শোনা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত মানসিক চাপ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে এই অভ্যন্তরীণ তদন্ত বিভাগ।
আরও খবর

অনুমান নয়, তদন্তের প্রয়োজন
রূপালি বর্মণের কোনও মানসিক রোগের ইতিহাসের কথা পরিবার জানায়নি বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, রোগীরাও জানিয়েছেন, রূপালি অত্যন্ত হাসিখুশি ছিলেন এবং সকলের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলতেন। এর আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, রূপালিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধারের পর চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সম্ভাবনার কথা উঠলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, অনুমানের ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ বলা হবে না। কীভাবে এবং কেন তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই বোঝা যাবে।
ঘটনাস্থল থেকে যা যা পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেগুলির ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে পুলিশ। পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ, নার্সিং স্টাফদের মানসিক চাপ এবং অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


