রাতের অন্ধকারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কাদাপাড়ার ক্যালকাটা জুট মিলে। আগুনের গ্রাসে পুড়ে ছাই হয়ে গেল তিন নম্বর গোডাউনে মজুত বিপুল পরিমাণ পাট। বৃহস্পতিবার রাতে ফুলবাগান সংলগ্ন এই চটকলে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। তবে কীভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রাতে আচমকাই চটকলের তিন নম্বর গোডাউনে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোডাউনে মজুত পাটের মধ্যে। খবর দেওয়া হয় দমকলকে। তবে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয় দমকলের। কারণ, কালীপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার ব্যস্ততায় রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। সেই যানজট ঠেলেই ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় দমকলের ইঞ্জিনগুলিকে।
আরও খবর
অন্যদিকে, চটকলটিতে পর্যাপ্ত জলের জোগান না থাকায় আগুন নেভানোর কাজে সমস্যায় পড়তে হয় দমকলকর্মীদের বলে সূত্রের খবর। দমকলের প্রাথমিক বক্তব্য, কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল না। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত, তা জানতে ইতিমধ্যেই ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করবেন। আগুন লাগার পিছনে কারও অপকীর্তি রয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাত পর্যন্ত দমকলের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে গোডাউনে মজুত পাট পুড়ে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যথেষ্ট বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা। কিন্তু প্রশ্ন প্রশাসনের এত নজরদারির পরেও কেন অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থায় কেন অনীহা কর্তৃপক্ষের ?


