Bengal liberty desk, 23 মে, বার্নপুর: শনিবার সকাল থেকে আসানসোলের বার্নপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। দীর্ঘদিন ধরে সেলের জমি দখল করে থাকা অবৈধ নির্মাণ হঠাতে বড়সড় উচ্ছেদ অভিযানে নামল ইস্কো কারখানা কর্তৃপক্ষ। এই অভিযানের কবলে পড়ে গুঁড়িয়ে গেল আসানসোল পুরনিগমের ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক রুদ্রর কার্যালয়। শুধু কাউন্সিলরের অফিসই নয়, এদিন এলাকায় গড়ে ওঠা একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস এবং ক্লাব ঘরেও চলল বুলডোজার।

সেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (TMC Councillor Office Demolition)
ইস্কো কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, সংশ্লিষ্ট কার্যালয় এবং ক্লাবগুলি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সেলের জমি দখল করে তৈরি করা হয়েছিল। উচ্ছেদের আগে দখলদারদের বারবার নোটিশ এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি নিজেদের জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জায়গা খালি না করায় শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেলের এক আধিকারিকের কথায়, “ভবিষ্যতের উন্নয়নমূলক কাজ এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই জায়গাটি দখলমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। ওই জায়গায় নতুন পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।”
Abhishek Banerjee: এখনও ঔদ্ধত্য যায়নি অভিষেকের@MamataOfficial @abhishekaitc @AITCofficial @SuvenduWB @BJP4Bengal @bengalliberty1 #westbengalcm #westbengal2026 #westbengalnews #westbengal #mamatabanerjee #abhishekbanerjee #tmcwestbengal #bengalliberty pic.twitter.com/bvcqg9YvsK
আরও খবর
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 23, 2026

রাজনৈতিক তরজা (TMC Councillor Office Demolition)
এই উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে বার্নপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। নিজের কার্যালয় ভাঙা পড়া নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর বা দলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে আসরে নেমেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, আগের সরকারের অসহযোগিতার কারণেই এতদিন সেল কর্তৃপক্ষ এই সাহস দেখাতে পারেনি। বিজেপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে এখন আর কোনো বেআইনি দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সেলের এই জমি উদ্ধারকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

প্রশাসনের ভূমিকা (TMC Councillor Office Demolition)
এদিনের অভিযানে পুলিশের সক্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো। কারখানা কর্তৃপক্ষের মতে, প্রশাসন ও পুলিশের এই সমন্বয় ভবিষ্যতে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরও গতি দেবে। সম্পূর্ণ আইন মেনেই এই কাজ করা হয়েছে এবং আগামী দিনেও এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।


