Bengal Liberty : ককরোচদের আন্দোলনে উত্তাল দেশের রাজধানী। সেই সময়ই ভারতবিদ্বেষী বাংলাদেশীদের সিজেপিকে সমর্থন পোস্ট । ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি বাংলাদেশের কয়েকজন মহম্মদ ইউনূস-ঘনিষ্ঠ নেতার প্রকাশ্য সমর্থন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-র নেতা নাহিদ ইসলাম এবং ইউনূস সরকারের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে, ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে সরব হওয়া এই নেতারা নিজেদের দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে কতটা সোচ্চার?
নাহিদ ইসলাম ভারতের সিজেপির পাশে থাকার কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাম্প্রদায়িকতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা, নির্যাতন ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ উঠলে মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন এই ভারতবিদ্বেষী বাংলাদেশী নেতা নাহিদ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ কোনওভাবেই উপেক্ষা করার বিষয় নয়। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিচার এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। অথচ ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু নেতার সক্রিয়তা এবং নিজেদের দেশের সংখ্যালঘুদের প্রশ্নে তাঁদের অবস্থানের মধ্যে যে বৈপরীত্যের অভিযোগ উঠছে, তাতেই প্রমাণিত যে এই উসকানির পিছনে বৈদেশিক উস্কানির হাত রয়েছে।
এর আগে নিট কাণ্ডে যখন যন্তর মন্তরে সিজেপির প্রথম উত্থানের আন্দোলন হয়েছিল, সেই সময় ককরচদের বিক্ষোভের পিছনে বৈদেশিক যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সেই অভিযোগের বিরোধিতা তা করেছিল লোকসভার বিরোধী দলগুলি। কিন্তু রবিবার ভারত বিদ্বেষী বাংলাদেশী নেতা নাহিদের এই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট প্রমাণ করছে কেন্দ্রের আশংকাই ঠিক বলে দাবি বিজেপির। এখন প্রশ্ন একটাই, ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে যাঁরা এত সরব, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে তাঁদের কণ্ঠ আটকে যায় কেন? নাকি মানবাধিকারের প্রশ্নেও রাজনৈতিক সুবিধা অনুযায়ী অবস্থান বদলে যায়?


