Bengal Liberty: বিভিন্ন দাবিদাওয়া এবং বঞ্চনার প্রতিবাদে চণ্ডীগড়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে বড়সড় পুলিশি পদক্ষেপের মুখোমুখি হলেন পাঞ্জাবের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বা ইটিটি (ETT) শিক্ষকরা। পাঞ্জাবের অর্থমন্ত্রী হরপাল সিং চিমা (Harpal Singh Cheema)-র সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সময় প্রায় ১৮০ জন শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিক্ষোভের মূল কারণ ও অভিযোগ (Punjab ETT Teacher)
আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবি, তাঁরা মূলত ২০১৬ সালে শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ত্রুটি ও খামতির কথা বলে তাঁদের বেআইনিভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ পাওয়ার পরই তাঁরা চাকরিতে পুনর্বহাল হন।শিক্ষকদের দাবি, সম্প্রতি একটি আইএএস তদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে নিয়োগ সংক্রান্ত ওই গরমিলের জন্য শিক্ষক বা প্রার্থীরা কোনোভাবেই দায়ী নন, বরং এক বিভাগীয় ক্লার্কের ভুল বা দুর্নীতির কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছিল।
শিক্ষকদের অভিযোগ, আম আদমি পার্টি (AAP) সরকার একজন নির্দিষ্ট ক্লার্ককে বাঁচানোর চেষ্টা করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা আইনি লড়াই ও একাধিক বৈঠক করেও কোনো স্থায়ী সমাধান বা ন্যায়বিচার পাননি। এর পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি এবং তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবিতেই তাঁরা এ দিন চণ্ডীগড়ে মন্ত্রীর বাসভবনের সামনে শান্তিপূণভাবে জমায়েত করেছিলেন।
আরও খবর

পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ (Punjab ETT Teacher)
বিক্ষোভকারী শিক্ষকদের অভিযোগ, তাঁরা কোনও ধরনের হিংসা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে যাননি। তা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের জোরপূর্বক হটিয়ে দেয় এবং ১৮০ জন শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সরকারের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনও প্রতিক্রিয়া না মিললেও, শিক্ষকদের এই আন্দোলন এবং গণ-গ্রেফতারির জেরে চণ্ডীগড় ও পাঞ্জাব রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। যতক্ষণ না তাঁদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে এবং বঞ্চনার অবসান ঘটছে, ততক্ষণ তাঁদের এই আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুনঃ
https://bengalliberty.com/2026/08/21/saokat-molla-10/


