Bengal liberty : পুরভোট যত এগিয়ে আসছে তত অন্য দল থেকে নেতা কর্মীদের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে। তৃণমূলের টিকিটে জিতে আসা কাউন্সিলরদের বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারেও জল্পনা বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অনেকেই যে দল বদল করতে চাইছেন, সেটাও আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেন এই বিজেপি নেতা।
ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কলকাতা, হাওড়া সহ রাজ্যের সাতটি পুরসভায় ভোট হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই পুরভোটে কারা প্রার্থী হবেন তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে শাসক দল বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে অন্য দল থেকে তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। ভোটের আগে দলবদলের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ভোট এলে অনেকেই চায়, দল বদল করতে। এটা একটা ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে।’ একই সঙ্গে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মীরা পার্টি পাল্টাতে থাকে। পার্টিও প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়েও থাকে। বিজেপি এত বড় হত কী করে যদি সবাইকে না নিতাম আমরা। গণতন্ত্রে সবার এই অধিকার রয়েছে। জনতাই শেষ কথা বলে।’
সম্প্রতি তৃণমূলের দুই প্রাক্তন কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস ও অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে তৃণমূলের কেউ এলেই যে বিজেপি তাঁকে নেবে না, সেই বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শমীকবাবুর বক্তব্য, মানুষ ভোট দিয়েছে পোশাকের রং পাল্টানোর জন্য নয়, পোশাকের ভিতরের মানুষটাকে পালটানোর জন্য। শুক্রবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনশলের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বিজেপির প্রথম সারির নেতারা। এই পরিস্থিতিতেতে দিলীপ ঘোষের মতো রাজ্যের বর্ষিয়ান নেতার টিপ্পনী কী কোনও প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।


