Bengal Liberty: কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকেই নাগরিকত্বের প্রশ্নে বড় আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। উত্তর ২৪ পরগনার চাঁদপাড়ায় অভয় লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত শ্রীশ্রী কালীপুজোর শুভ সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে পুজোমণ্ডপের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর শ্যামা মায়ের প্রতীকী মূর্তিতে নিজের হাতে আরতি করে পুজোর সূচনা করেন। সেখান থেকেই এলাকার মানুষের উদ্দেশে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
চাঁদপাড়া-সহ এই অঞ্চলে পূর্ববঙ্গ থেকে আসা বহু শরণার্থী পরিবার কয়েক দশক ধরে বসবাস করছেন। ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে নিজেদের ধর্ম ও অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের অনেকের কাছেই এখনও ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রয়োজনীয় নথি নেই। সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, “যাঁরা নিজেদের ধর্ম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভারতবর্ষে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সিএএ-র মাধ্যমে প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করেছে রাজ্য সরকার।”
পাশাপাশি, সনাতনী ধর্মের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে উৎসব পালনের আহ্বান জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, “সনাতনী ধর্মকে সামনে রেখে আনন্দের সঙ্গে, ঐক্যবদ্ধ ভাবে পুজোর উৎসবে সামিল হতে হবে।”
আরও খবর
এদিনের মঞ্চ থেকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। টুকরে টুকরে গ্যাং, আরশোলা ও ছারপোকাদের থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরিবারকে উদ্দেশ্য করে করা মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদের নিশানা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “যাঁরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাবা-মাকে নিয়েও খারাপ মন্তব্য করতে পারেন, তাঁরা বারবার দেশের বিরোধিতা করে দেশের মধ্যে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছেন।”
এরপরই দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হয়েই ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত গড়ে তুলতে হবে। সেই কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে পশ্চিমবঙ্গ।”


