Bengal Liberty: ‘টুকরে টুকরে গ্যাংকে সাফ করতে হবে।’ কালীপুজোর মঞ্চ থেকে এমনই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সকালে মানিকতলার শান্তিনাথতলা বারোয়ারি শ্রীশ্রী মা কালীপুজোর মণ্ডপ উদ্বোধনে গিয়ে একাধিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রসঙ্গে সরব হন তিনি। সনাতন ধর্মের বিরোধিতা এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।
মণ্ডপ উদ্বোধনের পর বক্তৃতায় তিনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের অভিনন্দন জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “‘টুকরে টুকরে গ্যাং’, ‘কাশ্মীর মাঙে আজাদি’, দেমাগি নকশাল, আরশোলা-ছারপোকা এবং বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী স্লোগান বন্ধ করার পাশাপাশি যাদবপুরকে পরিষ্কার করতে হবে।” পশ্চিমবঙ্গকে এই ধরনের দেশবিরোধী শক্তির কার্যকলাপ থেকে মুক্ত করার আহ্বানও জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা এবং কলকাতার ঐতিহাসিক পরিচয়ের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
এর পর সনাতন ধর্ম ও মা কালীর মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মা কালীকে অপমান করা কিংবা সনাতন ধর্মকে গালিগালাজ করা উচিত নয়। এর পরিণতি ভয়ংকর হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আরও খবর
এই প্রসঙ্গে ২০২৫ সালে কাকদ্বীপের সূর্যনগরে মা কালীর মূর্তি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রসঙ্গ টানেন শুভেন্দু। নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সেই নির্দেশ যিনি দিয়েছিলেন, যে কালীমূর্তিকে প্রিজন ভ্যানে তুলতে হবে, ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন দিল্লিতে নিজেই প্রিজন ভ্যানে উঠেছেন।”
এর পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধর্মীয় আচার মেনে উৎসব পালনের আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি দীপাবলির আগে কলকাতার আলোকসজ্জারও প্রশংসা করেন শুভেন্দু। দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট, লেক কালীবাড়ি-সহ বিভিন্ন মন্দিরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গোটা শহর আলোর মালায় সেজে উঠেছে। কালীপুজোর আবহে এভাবেই বিরোধীদের নিশানা করে রাজনৈতিক বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।


